চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মামলায় দ্রুত শুনানির আর্জিও জানান তৃণমূল কংগ্রেসের (মমতা শিবির) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তবে দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ করে দিল হাইকোর্ট। দ্রুত শুনানির যে আর্জি জানান অভিষেক, তা ফিরিয়ে দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। ফলে তড়িঘড়ি বিদেশে যেতে পারবেন না ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।
আসলে বিদেশে যাওয়ার জন্য অভিষেককে যে হাইকোর্টে ছুটতে হয়েছে, সেটার নেপথ্যে আছে একটি মামলা। বিধানসভা ভোটের প্রচারের সময় উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। তুমুল ভর্ৎসিত হলেও আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত তাঁকে রক্ষাকবচ দেয় হাইকোর্ট।
আরও পড়ুনঃ ‘তৃণমূল’ তুমি কার? মমতা না ঋতব্রত!
আর সেই রক্ষাকবচের জন্য অভিষেককে একাধিক শর্ত মেনে চলতে হবেও জানান বিচারপতি ভট্টাচার্য। হাইকোর্ট স্পষ্টভাবে জানায়, আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশে যেতে পারবেন না অভিষেক। বিদেশে যেতে হলে নিতে হবে অনুমতি। আর সেই শর্তের জন্যই বিদেশে যাওয়ার জন্য হাইকোর্টে ছুটতে হয়েছে তৃণমূলের (মমতা শিবির) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে।
আরও পড়ুনঃ অ্যাকশন পুলিশের, তামান্না খুনে আরও ২ জন গ্রেফতার; মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন মা সাবিনা
তবে এবার তাঁর বিদেশ যাওয়ার সময় নিয়ে বিভিন্ন মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। এই মুহূর্তে তৃণমূলের অন্দরে ডামাডোল বেড়েই চলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের বিদ্রোহী শিবিরে চলে যাবে কি না, এই নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। আবার বিধায়কদের সই জালকাণ্ডে অভিষেককে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিআইডি।
আবার DJ হুমকি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বর পরীক্ষা হবে। নমুনা নেওয়ার জন্য বিধাননগর আদালতে আবেদন জানিয়েছিল সিআইডি। সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত। আগামী ৩০ জুন আদালতে গিয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে অভিষেককে। এই পরিস্থিতিতে তাঁর বিদেশ যাত্রার আবেদন নিয়ে হাইকোর্ট কী বলে, সেটাই এখন দেখার।


