পাকিস্তানে পেট্রোল ও ডিজেলের লাগাতার দাম বৃদ্ধির কারণে তীব্র অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে দেশজুড়ে মিছিল, বিক্ষোভ ও পথ অবরোধ। শনিবার তা ছড়িয়ে পড়েছে পরিবহণ খাতে, যেখানে ট্রাক, বাস ও পণ্য পরিবহন চালক ও মালিকেরা ধর্মঘটে যোগ দিয়েছেন। রবিবারও ধর্মঘট অব্যাহত ছিল।
জামাত-এ-ইসলামি ঘোষণা করেছে, আগামী ১৬ আগস্ট পাকিস্তানের চার প্রাদেশিক রাজধানীতে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে।
আরও পড়ুনঃ বিজেপিতে আস্থা হারাচ্ছে ভবানীপুর! সাত মাস ধরে রাস্তায় জমে জল; চর্মরোগে ভুগছেন এলাকাবাসী
বর্তমানে দেশে পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ৩৩৫ পাকিস্তানি রুপি। মাত্র দু’দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ৫০০-এর বেশি বিক্ষোভ ও চাকা জ্যাম হয়েছে। পরিবহণ সংগঠনগুলোর দাবি, জ্বালানির দাম ও অতিরিক্ত করের কারণে ব্যবসা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
অল পাকিস্তান পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ওনার্স ফেডারেশন এবং গুডস ট্রান্সপোর্টার্স যৌথভাবে জানিয়েছে, ১২ আগস্ট থেকে দেশজুড়ে পরিবহণ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। ইতিমধ্যে প্রায় চার লক্ষ পণ্যবাহী গাড়ির চলাচল থমকে গেছে।
আরও পড়ুনঃ সামুদ্রিক পথের নির্ভরতা কমাতে দীর্ঘ স্থলপথের পরিকল্পনা; ভারতের সাথে রেল যোগাযোগের প্রস্তাব রাশিয়ার
জ্বালানির দাম প্রতিদিন পরিবর্তিত হওয়ায় ব্যবসায়িক পরিকল্পনায় সমস্যা হচ্ছে বলে পরিবহণকারীরা জানাচ্ছেন। ডিজেলের দাম বৃদ্ধির ফলে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পরিবহণ ব্যাহত হচ্ছে।
এর আগে এপ্রিল মাসে জ্বালানির দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল, যা সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বৃদ্ধি করেছে। জামাত-এ-ইসলামির বিক্ষোভ কর্মসূচি ও পরিবহণ ধর্মঘট পাকিস্তান সরকারের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।


