Friday, 25 September, 2026
25 September
Homeউত্তরবঙ্গDarjeeling: পাহাড়ের পর্যটনে বড় চমক! কার্শিয়াং থেকে দার্জিলিং রোপওয়ে তৈরিতে আগ্রহ আদানি...

Darjeeling: পাহাড়ের পর্যটনে বড় চমক! কার্শিয়াং থেকে দার্জিলিং রোপওয়ে তৈরিতে আগ্রহ আদানি গোষ্ঠীর

আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৮০০ থেকে ১,৮০০ যাত্রী চলাচল করতে পারবেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি পর্যটনে এক অভূতপূর্ব দিগন্ত খুলতে চলেছে। পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে ও পাহাড়ি যাতায়াত আরও দ্রুত করতে কার্শিয়াং থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত দীর্ঘ রোপওয়ে নির্মাণের প্রস্তাব উঠে এসেছে। নবান্ন সূত্রে খবর, এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে আদানি গোষ্ঠী (Adani Group)।

সম্প্রতি কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানির প্রতিনিধি দলের এক বৈঠকে এই রোপওয়ে প্রকল্পের বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  নতুন সরকারের আমলে প্রথম মৃত্যুদণ্ড; ৯ মাসেই স্ত্রীকে খুনের বিচার

প্রস্তাবিত রোপওয়ে প্রকল্পের সম্ভাব্য রূপরেখা

প্রকল্পটি প্রাথমিক প্রস্তাবের স্তরে থাকলেও, নবান্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মূল দিকগুলি নিচে তুলে ধরা হলো:

বিষয় / ক্ষেত্র সম্ভাব্য বিবরণ ও পরিকাঠামো
দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার।
যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৮০০ থেকে ১,৮০০ যাত্রী চলাচল করতে পারবেন।
যাতায়াতের সময় হিল কার্ট রোড ধরে সড়কপথে যে সময় লাগে, রোপওয়ে চালু হলে তার অর্ধেকেরও কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
বর্তমান স্থিতি সরকারি অনুমোদন সাপেক্ষে নিয়ম মেনে দরপত্র (টেন্ডার) আহ্বান করা হবে। রুট, স্টেশন ও বাজেট এখনও চূড়ান্ত নয়।

আরও পড়ুনঃ বারাসত টু কলকাতা, এবার এক বাসেই পুজো পরিক্রমা! থাকছে পেটপুজোর ব্যবস্থাও

পাহাড়ের পরিবেশ ও যোগাযোগের ইতিবাচক পরিবর্তন

বর্তমানে কার্শিয়াং থেকে দার্জিলিং পৌঁছাতে পর্যটকদের প্রধানত সড়কপথের ওপর নির্ভর করতে হয়, যার ফলে পাহাড়ি রাস্তায় প্রায়শই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। রোপওয়ে চালু হলে: ১. যানজট মুক্তি: সড়কপথে যানবাহনের ওপর চাপ একধাক্কায় অনেকটাই কমবে। ২. পরিবেশবান্ধব পরিবহন: পাহাড়ি অঞ্চলে কার্বন নির্গমন ও বায়ুদূষণ বহুলাংশে হ্রাস পাবে। ৩. পর্যটনের বিকাশ: কার্শিয়াং শহর দার্জিলিংয়ের একটি অন্যতম প্রধান ‘গেটওয়ে’ বা প্রবেশদ্বার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে নতুন জোয়ার আসবে।

উল্লেখ্য, আদানি গোষ্ঠী বর্তমানে উত্তরাখণ্ডের শোনপ্রয়াগ থেকে কেদারনাথ পর্যন্ত ১২.৯ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের একটি অন্যতম মেগা রোপওয়ে প্রকল্প রূপায়ণের দায়িত্বে রয়েছে (যার আনুমানিক ব্যয় ৪,০৮১ কোটি টাকা)। কেদারনাথের ধাঁচে পশ্চিমবঙ্গের এই কেবিনেট প্রস্তাবিত রোপওয়ে প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তা পাহাড়ের পর্যটন পরিকাঠামোয় এক ঐতিহাসিক সংযোজন হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন