বিশেষ আবহাওয়া সংক্রান্ত সংবাদ প্রতিবেদন:
কালীপুজোর ঠিক আবহেই রাজ্যে জমিয়ে নামতে চলেছে শীত। ভূত চতুর্দশীর দিন থেকেই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হিমেল উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে ঠান্ডার দাপট তীব্রতর হওয়ার স্পষ্ট পূর্বাভাস মিলল। ৭ নভেম্বর (শনিবার) থেকে তাপমাত্রা লক্ষণীয়ভাবে কমতে শুরু করবে এবং ৮ নভেম্বর (রবিবার) সকালে রাজ্যজুড়ে অনুভূত হবে কনকনে ঠান্ডার পরশ।
১. উত্তুরে হাওয়ার আগমন ও আবহাওয়ার বদল
আবহাওয়া দফতর ও প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৭ নভেম্বর ২০২৬ (শনিবার) থেকে দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় উত্তরে বাতাসের প্রভাব হঠাৎ করেই বৃদ্ধি পাবে। ফলে সকালের দিকে ঘন কুয়াশার পাশাপাশি রাত ও ভোরে বেশ শীতের অনুভূতি মিলবে। উৎসবের মরশুমে এমন কনকনে ঠান্ডা রাজ্যবাসীর আমেজ আরও বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ মা কৃপাময়ী এবং দুই শিবলিঙ্গ-এর নামে পৃথক প্যান কার্ড! উত্তর কলকাতার ঐতিহ্যবাহী কাশীপুরের কৃপাময়ী কালীবাড়ি
২. ৮ নভেম্বর রবিবারের জেলাভিত্তিক সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পূর্বাভাস
৮ই নভেম্বর (রবিবার) সকালে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কেমন থাকতে পারে, তার একটি সম্ভাব্য চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:
-
পশ্চিমাঞ্চলের জেলাসমূহ (১৫°সে – ১৭°সে): পুরুলিয়া, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান এবং বাঁকুড়ায় শীতের কামড় সবচেয়ে বেশি অনুভূত হবে। এখানে পারদ নামতে পারে ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে।
-
মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলাসমূহ (১৬°সে – ১৮°সে): মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, নদীয়া, হুগলি, হাওড়া এবং উত্তর ২৪ পরগনায় তাপমাত্রা থাকবে ১৬ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।
-
উপকূল ও মহানগরীয় এলাকা (১৭°সে – ১৯°সে): কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকার সম্ভাবনা।
ভূত চতুর্দশী ও দীপাবলির এই উৎসবের মৌসুমে জাঁকিয়ে শীতের এই আগমনে বঙ্গবাসী যে আলমারি থেকে হালকা গরম জামাকাপড় বের করতে শুরু করবেন, তা বলাই বাহুল্য।


