বিশেষ আবহাওয়া প্রতিবেদন:
পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ (Cyclone Arnab)-এর প্রভাবে অবশেষে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করল দুর্যোগের আবহ। মঙ্গলবার বিকেলের পর থেকেই দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে আবহাওয়ার দ্রুত অবনতি হতে শুরু করেছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস মেনে দুই মেদিনীপুর (পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর) এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলবর্তী বেশ কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে, যার কিছু কিছু জায়গায় ইতিমধ্যেই স্থানবিশেষে ভারী বর্ষণ রেকর্ড করা গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ “হারানো ভরসা ফেরাতে অপ্রিয় কাজ করতে হয়”; দিলীপ ঘোষের বিস্ফোরক মন্তব্য
কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে বৃষ্টির সতর্কতা
উপকূলীয় জেলাগুলিতে জলীয় বাষ্পের প্রাচুর্য বাড়ায় বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মহানগর কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন অঞ্চলে নামতে পারে বৃষ্টিপাত। কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি আবার ক্ষেত্রবিশেষে বজ্রবিদ্যুৎ ও শিলাবৃষ্টিসহ ক্ষণস্থায়ী ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
এক নজরে বৃষ্টির তীব্রতা ও প্রভাবের চিত্র:
-
উপকূলের অবস্থা (দুই মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা): দফায় দফায় বর্ষণ শুরু হয়েছে। কিছু এলাকায় ইতিমধ্যেই ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস কার্যকর হওয়া শুরু করেছে।
-
কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চল (কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা): রাতের দিকেও বাড়তে পারে বৃষ্টির তীব্রতা। স্থানবিশেষে ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
-
আবহাওয়ার চরিত্র: ক্রমাগত পরিবর্তনশীল।
প্রশাসনের কড়া বার্তা ও পরামর্শ
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর এবং স্থানীয় দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তর থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক ও প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ চমকানো বা বজ্রপাতের সময় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মৎস্যজীবীদের অবিলম্বে উপকূলে ফিরে আসার নির্দেশ কার্যকর করা হয়েছে।
আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি প্রতি মুহূর্তে বদলাতে থাকায় স্থানীয় প্রশাসনিক আপডেট ও খবরের দিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে।


