Friday, 11 September, 2026
11 September
Homeউত্তরবঙ্গJalpaiguri: ফোন যেত পাকিস্তানে! জলপাইগুড়িতে ‘বৃহন্নলা কুঠি’-তে বিএসএফ ও পুলিশের যৌথ অভিযান;...

Jalpaiguri: ফোন যেত পাকিস্তানে! জলপাইগুড়িতে ‘বৃহন্নলা কুঠি’-তে বিএসএফ ও পুলিশের যৌথ অভিযান; গ্রেফতার গুরুমা

সিম ব্যবহার করে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে নিয়মিত আন্তর্জাতিক যোগাযোগের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

জলপাইগুড়ি শহরের উত্তর রায়কত পাড়া এলাকায় এক বৃহন্নলা আশ্রমে যৌথ অভিযান চালিয়ে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, তিন রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন এবং দুটি বাংলাদেশী সিম কার্ড ও জন্ম সনদ উদ্ধার করল বিএসএফ (BSF) এবং রাজ্য পুলিশ। বৃহস্পতিবারের এই দীর্ঘ ৯ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে আশ্রমের প্রধান বা ‘গুরুমা’ হিসেবে পরিচিত পিপাসা হিজরাকে।

তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া বিদেশী সিম কার্ড ব্যবহার করে নিয়মিত বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে যোগাযোগ রাখা হতো। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত পিপাসা হিজরা।

আরও পড়ুনঃ প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’ জ্বলবে সন্ধ্যা ৭টায়! রাজনৈতিক ও শিক্ষামহলে বিতর্ক

অভিযান ও উদ্ধারের তালিকা

বৃহস্পতিবার ভোর থেকে উত্তর রায়কত পাড়ার ওই প্রাসাদোপম অট্টালিকাটি ঘিরে ফেলে সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের যৌথ টিম:

ক্ষেত্র ও উপাদান তল্লাশিতে প্রাপ্ত তথ্য ও উদ্ধারের বিবরণ
অস্ত্র ও কার্তুজ তল্লাশি অভিযানে পাওয়া গেছে ২টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২টি ম্যাগাজিন এবং ৩ রাউন্ড তাজা গুলি
নথিপত্র ও সিম কার্ড ২টি বাংলাদেশী সিম কার্ড এবং বাংলাদেশের একটি বার্থ সার্টিফিকেট (জন্ম সনদ)।
সন্দেহভাজন গতিবিধি ওই সিম ব্যবহার করে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে নিয়মিত আন্তর্জাতিক যোগাযোগের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ।
ফোরেনসিক ও আঙুলের ছাপ ওই আবাসনে অবস্থানরত সমস্ত বৃহন্নলা সদস্যের বায়োমেট্রিক ও আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ  ‘অতিথি দেবো ভব’; কাশ্মীর থেকে তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজস্থান; দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের রকমারি মেন

আন্তর্জাতিক যোগসূত্র ও স্থানীয় অসন্তোষ

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রের দাবি, বিগত এক দশকে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বৃহন্নলাদের এই গোষ্ঠীর দ্রুত সম্পত্তি বৃদ্ধি এবং প্রাসাদোপম বাড়ি নির্মাণ স্থানীয় অধিবাসীদের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছিল:

  • সীমান্ত পেরিয়ে আনাগোনা: তদন্তকারীদের দাবি, সম্প্রতি স্থানীয় মনসা পূজার প্রাক্কালে আনুমানিক ৩৫ জন বাংলাদেশী নাগরিক এই আশ্রমে এসে উঠেছিল। তাদের বর্তমান অবস্থান ও আগমনের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • বিদেশে যাতায়াত: অভিযুক্ত পিপাসা হিজরা সম্প্রতি পাকিস্তান সফর করেছিলেন কি না এবং এর নেপথ্যে কোনো আন্তর্জাতিক চক্র বা অনুপ্রবেশের সংযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

অভিযুক্ত গুরুমাকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষা ও জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে তদন্তের সব দিক এখনই প্রকাশ্যে আনতে অনিচ্ছুক তদন্তকারী আধিকারিকরা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন