অনন্ত মহারাজের এই দুঃখপ্রকাশকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু শুধু বাংলার নয়, গোটা দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক ব্যক্তিত্ব। তাই তাঁকে নিয়ে কোনও বিতর্কিত মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সম্মান প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত এবং জনরোষের পর অনন্ত মহারাজের উপর চাপ তৈরি হয়েছিল। এরই সঙ্গে নেতাজিকে অপমান করার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। অনন্ত মহারাজকেও গ্রেফতার করা হবে কি না, তাই নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল।

অন্যদিকে আজ সকালে কলকাতা পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন পৌরপিতা দীপু সাহা তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলে অনন্ত মহারাজের গ্রেফতারের দাবী তুলেছেন। তিনি তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন আগামীকাল স্বাধীনতা দিবসের আগেই অনন্ত মহারাজকে গ্রেফতার করতে হবে। প্রাক্তন পৌররপিতা দীপু সাহার এই পোস্টের পর অনন্ত মহারাজ নেতাজিকে নিয়ে সুর বদল করেছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই আবহে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাঁর বক্তব্যের সুর বদলেছে। যদিও তাঁর দুঃখপ্রকাশে বিতর্ক পুরোপুরি থামবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ কড়া অ্যাকশন; মমতার দেওয়া অনন্ত মহারাজের বঙ্গবিভূষণ কেড়ে নিলেন শুভেন্দু
এখন বড় প্রশ্ন, বঙ্গবিভূষণ সম্মান প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কি পুনর্বিবেচনা করবে রাজ্য সরকার? নাকি অনন্ত মহারাজের দুঃখপ্রকাশের পরও সম্মান প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে? রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের নজর এখন সেই দিকেই।


