তৃণমূলের প্রতীক-দাবি ঘিরে কমিশনের দ্বারস্থ ঋতব্রত শিবির, নজর দিল্লির বৈঠকে।
তৃণমূলের ভিতরে ‘আসল দল’ দাবি ঘিরে টানাপোড়েন আরও চড়ল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের সঙ্গে বিরোধের মধ্যেই এবার নির্বাচন কমিশনের দরজায় যাচ্ছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের গোষ্ঠী।
আরও পড়ুনঃ নতুন কায়দায় ট্রাম ছুটবে দক্ষিণেশ্বর টু কালীঘাট! ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রীর
কমিশন সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে ঋতব্রতপন্থী প্রতিনিধি দলের বৈঠক হওয়ার কথা। ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল সেখানে দলের নাম, প্রতীক এবং তহবিলের অধিকার নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে পারে।
এর আগে কলকাতার সিইও অফিসে গিয়ে ঋতব্রত শিবিরের কয়েক জন বিধায়ক তাঁদের বৈঠকের নথি জমা দিয়েছেন বলে দাবি। তাঁদের বক্তব্য, দলের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠিত হয়েছে এবং সংগঠনের বড় অংশ তাঁদের পাশে রয়েছে।
সূত্রের দাবি, কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে হওয়া বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চেয়ারপার্সন পদ থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অরূপ রায়কে সেই পদে বেছে নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে বলে ঋতব্রত শিবিরের দাবি।
পালটা কালীঘাট শিবিরও নির্বাচন কমিশনে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দলের বৈধ চেয়ারপার্সন। দলের নতুন কমিটির নামও আলাদা করে কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ড; মন কাড়ল কঙ্গো
ঋতব্রত শিবিরের যুক্তি, আগের কর্মসমিতির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই নতুন কমিটিই বৈধ। অন্যদিকে মমতা শিবির এই দাবিকে মানতে নারাজ। ফলে তৃণমূলের প্রতীক ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আইনি লড়াই দীর্ঘ হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
এখন সব নজর নির্বাচন কমিশনের দিকে। কমিশন এই দাবিকে আনুষ্ঠানিক প্রতীক-বিতর্ক হিসেবে বিবেচনা করে কি না, সেটাই আগামী দিনে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠতে পারে।
সূত্র: নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রকাশিত তথ্য ও রাজনৈতিক মহলের দাবি।
দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলির দাবি ও প্রাথমিক রাজনৈতিক তথ্যের ভিত্তিতে লেখা। কমিশন বা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে কোনও পক্ষের দাবিকে চূড়ান্ত সত্য বলে ধরা উচিত নয়।


