আন্দোলনকারী ছাত্রদের পাশে এবার তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলনে সরাসরি সামিল হওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী সোমবার যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির ধর্নায় যোগ দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকেই সিজেপির পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। জানিয়েছিলেন, প্রয়োজন হলে দিল্লিতে গিয়ে আন্দোলনে যোগ দেবেন। সেই মতোই তিনি দিল্লি যাচ্ছেন। এই রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর পর প্রথম কোনও জাতীয় স্তরের ইস্যুতে আন্দোলনে সামিল হবেন।
আরও পড়ুনঃ ভাসবে কলকাতা! অ্যালার্ট জারি হয়ে গেল
নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ঘিরে উত্তাল দিল্লি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা ও শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে দেশ জুড়ে আন্দোলন হচ্ছে। এর কেন্দ্রবিন্দুতেই রয়েছে দিল্লি। ককরোচ জনতা পার্টি বিক্ষোভ দেখাচ্ছে সেখানে। ইতিমধ্য়েই কংগ্রেস সহ সমস্ত বিরোধী দলই আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। গতকালই রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ইন্ডিয়া জোটের সাংসদ-নেতারা গান্ধী স্মৃতিস্থলে গিয়েছিলেন। এবার দিল্লির আন্দোলনে অংশ নিতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
এই আন্দোলনে এতদিন তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থন জানালেও, এবার সরাসরি তাতে সামিল হতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আন্দোলনে যোগদান করে তৃণমূল নেত্রী জাতীয় রাজনীতিতে বার্তা দিতে চাইছেন যে দেশে যেখানেই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই, সেখানে থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সূত্রের খবর, দিল্লিতে গিয়ে বিজেপি বিরোধী দলগুলির সঙ্গেও দেখা করতে পারেন। কংগ্রেসের সনিয়া গান্ধী-রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদবের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লির সিজেপি আন্দোলনে যোগ দেওয়া নিয়ে বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “আন্দোলনটা উঠে যাবে, নিশ্চিত থাকুন, কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যার হাত ধরেছেন, সেই ডুবেছে। প্রতিটা জায়গায় রাষ্ট্রদ্রোহের চর্চা করে যাওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও রাষ্ট্রদ্রোহীতার সমস্ত পাঠ পড়েছেন। পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশে পরিণত করার চক্রান্তে নিত্য ছিলেন। এটা নিয়ে বলার কিছু নেই।”


