এবার নিশ্চিত থাকুন নির্বাচন হবে অন্যরকম। ২০১১ সালে রাজ্যবাসীর যে অভিজ্ঞতা হয়েছিল, এবার তার সঙ্গে ৫ গুণ বাড়িয়ে নিন। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে পুলিশের ভূমিকা থাকবে না। ১০০ মিটার বাইরে ভোটের লাইন নিয়ন্ত্রণ করবে। ভোটকেন্দ্রের দখল থাকবে বাহিনীর হাতে।
কেন্দ্রীয় ডিজি স্তরের অফিসাররা বর্তমানে রাজ্যে আছেন। শীর্ষ অফিসাররা বাহিনীর আধিকারিকদের সঙ্গে কলকাতায় ইতিমধ্যেই বৈঠক করেছে। এখন আছে শিলিগুড়িতে।
আরও পড়ুনঃ প্রথম দফার নির্বাচনের ৭২ ঘন্টা আগেই হিজাবে না কমিশনের
প্রত্যেকবার ভোটের দিন বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। খাতায়কলমে বাহিনী থাকলেও গোলমালের সময় দেখা মেলে না। এবার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা অন্যরকম। নিজের মতো কাজ করবে বাহিনী, সাহায্যকারীর ভূমিকায় থাকবে পুলিশ।
পুলিশ ও বাহিনীর লোকেরা অলিগলিতে গিয়ে ভোটারদের ভোটদানে উৎসাহিত করবেন। পুলিশ পর্যবেক্ষক ও সাধারণ পর্যবেক্ষকরা এলাকায় এলাকায় ঘুরবেন। থাকবে কুইক রেসপন্স টিম।
ইতিমধ্যে বিধানসভা ধরে ধরে দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তারি চলছে। দাগিদের থানায় ডেকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারি চলছে।
আরও পড়ুনঃ হু হু করে বাড়ছে তাপমাত্রা; ভোট বঙ্গে ‘সুপার এল নিনো’-র খেলা শুরু
একইরকম গ্রামেও ভোটের দিন হুমকি দিলে, পথ আটকালে কপালে দুঃখ আছে। যদি হাতে বোমা বা বন্দুক দেখা যায়, তাহলে বাহিনী দেখে অন্যদিকে ফিরে যাবে না।
তাই লালু, কালু, হালুরা চুপ থেকে টিভিতে ভোট দেখুক। একবার গিয়ে নিজের ভোট দিয়ে আসুক, যদি ভোটার কার্ড থাকে। অন্যের ভোটের দায়িত্ব নিতে গেলে কপালে অশেষ দুঃখ আছে।



