বিশেষ জাতীয় প্রতিনিধি, নতুন দিল্লি:
শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা দেওয়া বা গণপরিবহন স্তব্ধ না করার বিষয়ে খোদ শীর্ষ আদালতের কড়া নির্দেশ উড়িয়ে দিল দিল্লি পুলিশ! রবিবার সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ ছিল—শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের আটক করা চলবে না এবং সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে মেট্রো পরিষেবা কোনোভাবেই বন্ধ রাখা যাবে না। কিন্তু সেই নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে সোমবার সকাল থেকেই সেন্ট্রাল দিল্লির ৬টি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা করেছে প্রশাসন।
আরও পড়ুনঃ ষড়যন্ত্রের শঙ্কা! ঢাকায় ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে ইসলামপন্থীরা বাঁধছে জোট
কোন কোন মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে?
কংগ্রেস ও বিরোধী দলগুলির ‘সুপ্রিম কোর্ট অভিযান’ এবং বারাখাম্বা রোডে পূর্বঘোষিত জমায়েতের ডাককে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করার নামে কার্যত কড়াকড়ি শুরু হয়েছে। এর জেরে আজ বিকেল ৪টে পর্যন্ত যে মেট্রো স্টেশনগুলি সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে সেগুলি হল:
-
মান্ডি হাউজ (Mandi House)
-
বারাখাম্বা রোড (Barakhamba Road)
-
জনপথ (Janpath)
-
সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট (Central Secretariat)
-
প্যাটেল চক (Patel Chowk)
-
রাজীব চক (Rajiv Chowk)
আরও পড়ুনঃ জার্মানি থেকে ভারতে এসেই বেলুন চুপসে গেলো! ‘সিজেপির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই’; দাবি ধ্রুবর
একদিকে ব্যারিকেড অপসারণ, অন্যদিকে মেট্রো বন্ধ রেখে কড়াকড়ি
রবিবার সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ আসার পরেই আদালতের সামনে ও সংলগ্ন এলাকা থেকে পুলিশি ব্যারিকেড এবং বিএনএসএস (BNSS) ১৬৩ ধারা জারির নোটিসগুলি সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। শীর্ষ আদালতের রায়কে সম্মান জানিয়ে কিছুটা স্বস্তির বাতাবরণ তৈরি হলেও সোমবার সকালে মেট্রো পরিষেবা আংশিক বন্ধ করে দেওয়ায় প্রশাসন ও বিচারবিভাগের মধ্যে নতুন করে দ্বন্দ্বের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের দাবি, গত শনিবারের সংঘর্ষ ও উত্তেজনার ঘটনার প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে ২০টি এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে এবং রবিবার এক দিনে ওই চত্বর থেকে প্রায় ৪০০ জন আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার অজুহাতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে পাশ কাটিয়ে মেট্রো স্টেশনগুলিতে কড়াকড়ি বজায় রাখায় সাধারণ commuters বা যাত্রীদের চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে।


