Monday, 12 October, 2026
12 October
HomeদেশSC: ‘মেট্রো ও ট্রেন স্বাভাবিক করান, ব্যারিকেড সরান, বন্ধ করা যাবে না...

SC: ‘মেট্রো ও ট্রেন স্বাভাবিক করান, ব্যারিকেড সরান, বন্ধ করা যাবে না ইন্টারনেট’! অবিলম্বে ১৬৩ ধারার নোটিস সরানোর কেন্দ্রকে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ

এই নির্দেশের পর দিল্লির প্রশাসনিক স্তরে চরম চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ আইনি ও জাতীয় প্রতিনিধি, নতুন দিল্লি:

ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) ‘যন্তর মন্তর ২.০’ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানী দিল্লিকে অবরুদ্ধ শহর বা ‘অভেদ্য দুর্গ’-এ পরিণত করার রাজকীয় পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। রবিবার ছুটির দিনে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বিশেষ বেঞ্চ কেন্দ্র সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে অবিলম্বে রাস্তার ব্যারিকেড সরিয়ে দেওয়া, ইন্টারনেট পরিষেবা পুনর্বহাল করা এবং রেল ও মেট্রো চলাচল স্বাভাবিক করার কড়া নির্দেশ দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রসংঘকে উপযুক্ত জবাব দিলো ভারত; বিক্ষোভে রাষ্ট্রসংঘকে ‘নাক না গলানোর’ পরামর্শ

‘প্রয়োজন ছাড়া ব্যারিকেড নয়, চলাচলের স্বাধীনতা দিতেই হবে’

মামলাকারীর পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল আদালতে সওয়াল করে বলেন, সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকার অনুযায়ী নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার রয়েছে। কিন্তু সরকার দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল, মেট্রো বন্ধ, ব্যারিকেড এবং ইন্টারনেট পরিষেবা স্তব্ধ করে আন্দোলনকারীদের গন্তব্যে পৌঁছাতেই দেয়নি। উপরন্তু, নেমট্যাগহীন পুলিশকর্মী দিয়ে গণ-আটক ও টেনেহিঁচড়ে প্রিজ়ন ভ্যানে তোলার মতো বেআইনি দমনপীড়ন চালানো হয়েছে।

এর জবাবে কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান যে, কর্মসূচির জন্য পুলিশের কোনো পূর্বানুমতি ছিল না। তবে সওয়াল জবাব শেষে শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানায়:

  • ব্যারিকেড অপসারণ: প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যারিকেড অবিলম্বে সরাতে হবে এবং সাধারণ মানুষের অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করতে হবে।

  • সংবিধানের ১৯(২) অনুচ্ছেদ খতিয়ে দেখা: প্রতিবাদের অধিকার সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি পুলিশের বিধিনিষেধের ক্ষমতা সংবিধানের ১৯(২) ধারার সাপেক্ষে কতটা আইনসম্মত, তা খতিয়ে দেখবে বেঞ্চ।

  • ১৬৩ ধারা রদ: সুপ্রিম কোর্ট চত্বর ও আশপাশে জারি করা বি এন এস এস-এর ১৬৩ ধারা (সাবেক ১৪৪ ধারা) অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়ে আদালত প্রাঙ্গণে সব আইনজীবীদের যাতায়াত অবাধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  ‘মাস্টারস্ট্রোক’ বনাম মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের কোমর ভেঙে যাওয়া জনজীবনের বাস্তব চিত্র

মঙ্গলবার পরবর্তী শুনানি: অস্বস্তিতে কেন্দ্র ও প্রশাসন

মেট্রো স্টেশন বন্ধ এবং ২৫০টিরও বেশি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিলের মতো সরকারি সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে শীর্ষ আদালত মনে করিয়ে দেয় যে, ‘নিরাপত্তার বাহানায় সাধারণ মানুষের পরিষেবা বা মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না।’ অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ এবং অবৈধভাবে আন্দোলনকারীদের আটকে রাখার অভিযোগে কেন্দ্রকে নোটিশ জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামী মঙ্গলবার এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। রবিবারের এই নির্দেশের পর দিল্লির প্রশাসনিক স্তরে চরম চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন