বিশেষ জাতীয় প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি:
হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে আটক, ডিটেনশন সেন্টারের পাহারা এবং নজিরবিহীন পুলিশি ক্র্যাকডাউন সত্ত্বে আন্দোলন থামার কোনো ইঙ্গিত নেই। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যেতে সমানভাবে অনড় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP) এবং বাম দলগুলি। এক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে সিজেপি ও বাম নেতৃবৃন্দ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, সমস্ত দমনপীড়ন উপেক্ষা করে আজ রবিবারও রাজপথে নেমে তাঁদের এই ঐতিহাসিক লড়াই জারি থাকবে।
আরও পড়ুনঃ ‘মাস্টারস্ট্রোক’ বনাম মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের কোমর ভেঙে যাওয়া জনজীবনের বাস্তব চিত্র
জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ছাড়া পথ নেই: সৃজন ও সিজেপি নেতৃত্ব
এদিনের যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত বাম প্রতিনিধি সৃজন ভট্টাচার্য এবং সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের প্রতিনিধি অজিঙ্কা শিণ্ডে আন্দোলনের পরবর্তী রূপরেখা স্পষ্ট করেছেন।
-
আজ নতুন লড়াই: অজিঙ্কা শিণ্ডে সাফ জানিয়ে দেন, পুলিশের চোখরাঙানি ও বলপ্রয়োগ করে গণআন্দোলন দমন করা যাবে না। আজ রবিবারও দলের হাজার হাজার সমর্থক রাস্তায় নেমে রাজপথ অবরুদ্ধ করবেন।
-
একই দাবিতে অনড় সিজেপি ও বামেরা: সৃজন ভট্টাচার্য এবং অভিজিৎ দীপকের শিবির যৌথভাবে বার্তা দিয়েছেন যে, ভোটার তালিকা সংশোধনে (SIR) অসচ্ছতা এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের বিরুদ্ধে এই লড়াই কোনো সাধারণ প্রতিবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার নিজের পদ থেকে পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এই আন্দোলন তিলমাত্র স্তমিত হবে না।
আরও পড়ুনঃ সরকারের আদালত অবমাননা! ছুটির দিনেও বসছে সুপ্রিম কোর্ট
আগামীকাল সোমবারে চোখ দিল্লির: সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের পাশাপাশি রাজপথে লড়াই
একদিকে যখন আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি এবং সোমবার রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো হেভিওয়েট শীর্ষ বিরোধী নেতাদের নেতৃত্বে শীর্ষ আদালত অভিযানের প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে ঠিক সেই সময়েই রাজপথে ককরোচ জনতা পার্টি ও বামফ্রন্টের যৌথ আন্দোলনে উত্তাপ আরও কয়েক গুণ বেড়ে গেল। দিল্লির প্রশাসনিক মহল সূত্রে খবর, গতকালের এই বার্তার পর এই বার্তার পর আজকেও রাজধানীজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় বজায় রাখতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


