সপ্তাহে প্রায় পাঁচ দিন রবীন্দ্রসদন এলাকার এক বিশেষ জায়গায় জলসাঘর বসতো। আর সেই জলসাঘরের একমাত্র মুখ ছিলেন ইন্দ্রনীল সেন।
কিন্তু এই জলসাঘরের পর্দার আড়ালে চলতো এক ভয়ঙ্কর সত্য। বিশেষ কিছু মহিলাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি জড়িত ছিলেন দু-নম্বরি কাজে।
আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে ‘বাংলা কংগ্রেস’
আরো তথ্য —
বিভিন্ন উৎসব ও অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রসদন বা অন্য কোনো প্রেক্ষাগৃহে যখন বাদ্যযন্ত্র শিল্পীরা গান বাজাতে যেতেন (গিটার, হারমোনিয়াম, অর্গান, অক্টোপ্যাড — যেই হোক), ইন্দ্রনীল সেন তাদের কাছ থেকে টাকা কেটে নিতেন।
কেউ যদি ৪০০০ টাকা পেতেন, তাকে বলা হতো —
“আমাকে ২০০০ টাকা দিয়ে দে, তাহলে কাজ পাবি।” এরকম চলতো সংগীত শিল্পীদের ক্ষেত্রেও।
এই অন্যায় চক্র তৃণমূলের আমলে বছরের পর বছর ধরে চলেছে সংগীত মেলায়। শিল্পীরা বাধ্য হয়ে এই শোষণ মেনে নিচ্ছেন কাজের আশায়।
এটা আর চলতে দেওয়া যায় না!
সত্যি কথা বলার সময় এসেছে।
আরও পড়ুনঃ পুরো তছনছ তৃণমূল; গঠিত হল ‘নব তৃণমূল ব্লক’, বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত
যারা সংগীত জগতে আছেন, তাদের অধিকার রক্ষায় এখনই সোচ্চার হোন। ওনাকে সবদিক থেকে বয়কট করুন।
একজন সংগীতশিল্পীর কাছে সংগীতই “ধর্ম”।– সেই “ধর্ম” কি উনি পালন করেছেন



