spot_img
Friday, 16 January, 2026
16 January
spot_img
Homeউত্তরবঙ্গDurga Puja 2025: বাঙালি বিদ্বেষ! পুজোর মরশুমেও অন্য রাজ্যে যেতে ভয় পাচ্ছেন ঢাকিরা

Durga Puja 2025: বাঙালি বিদ্বেষ! পুজোর মরশুমেও অন্য রাজ্যে যেতে ভয় পাচ্ছেন ঢাকিরা

জেলা শ্রম দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদায় দু’হাজারের বেশি ঢাকি ও বাদ্যকার রয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

আর বেশিদিন বাকি নেই। সেপ্টেম্বরের শেষে পুজো। উৎসবের মরশুমে ভালো রোজগারের আশায় ফি–বছর ভিন রাজ্যে পাড়ি দেন মালদার ঢাকিপাড়ারা বাসিন্দা প্রদীপ, বাবলুরা। কিন্তু এ বছর মোটা টাকার বায়না এলেও এখনও সেটা অনেকে নেননি। কেউ আবার নেবেন কি না, দু’বার ভাবছেন।

ভিন রাজ্যের শ্রমিকদের উপরে যে অত্যাচারের ঘটনা সংবাদমাধ্যমে উঠে আসছে, তাঁরা ভয়ে কাঁটা হয়ে রয়েছেন। তাঁদের আশঙ্কা, বাংলায় কথা বললে তাঁদেরও হয়তো হেনস্থার শিকার হতে হবে। ফলে রোজগার নিয়ে দুশ্চিন্তায় ঢাকিরা। ঢাকিদের এই সমস্যার কথা গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।

আরও পড়ুনঃ পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ; ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের রায়ই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

দলের জেলার সহ-সভাপতি শুভময় বসু বলেন, ‘অনেকেই ভিন রাজ্যে ঢাক বাজাতে যান। আবার কেউ মালদার বিভিন্ন পুজো কমিটিগুলোর সঙ্গে চুক্তি করেন। তবে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে যা চলছে তাতে এখন ঢাকিরাও আতঙ্কিত।’

ইংরেজবাজার ব্লকের সাতঘরিয়া এলাকার ঢাকিপাড়ার বাসিন্দা প্রদীপ ও বাবলু রবিদাস বলেন, ‘গত বছর দুর্গা পুজোর মরশুমে উত্তরপ্রদেশে গিয়েছিলাম। মোটা টাকা রোজগার করতে পেরেছি। কিন্তু কিছুদিন ধরে বাংলাভাষীদের উপরে ভিন রাজ্যে অত্যাচার চলছে, তাতেই আমরা ভয়ে রয়েছি। ওরা বাংলাদেশি সন্দেহে যদি জেলে পুরে দেয়। তখন কি করব?’

বাঁশবাড়ি এলাকার ঢাকি মনোহর রবিদাস, বাবলু বসাক, সুজন ঋষিরা বলেন, ‘মালদার বেশ কিছু পুজো কমিটি রয়েছে যারা পরিশ্রম করিয়ে বেশি টাকা দিতে চায় না। অথচ বাইরের গেলে অনেক বেশি রোজগার করি। কিন্তু এ বার পরিস্থিতি অন্যরকম। ভিন রাজ্যে বাংলা বললেই মার খেতে হচ্ছে। এটাই দুশ্চিন্তার। বাড়তি রোজগারই বা কী ভাবে হবে, বুঝে উঠতে পারছি না।’

জেলা শ্রম দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদায় দু’হাজারের বেশি ঢাকি ও বাদ্যকার রয়েছে। যাঁরা মূলত বছরের অধিকাংশ সময়ে ঢাক, ঢোল, ব্যান্ডপার্টি, তাসা বাজিয়েই জীবিকা নির্বাহ করেন। মালদার ইংরেজবাজার ব্লকের প্রায় ৫০০ ঢাকি বাস করেন। অধিকাংশই পুজোর মরশুমে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, দিল্লি, বিহার, অসম রাজ্যগুলিতে ঢাক বাজাতে যান।

আরও পড়ুনঃ ‘পাড়ায় সমাধানে’ দলীয় পতাকা নিয়ে হাজির তৃণমূল কর্মীরা; কটাক্ষ বিজেপির

বিশ্বকর্মা পুজোর পর থেকেই শুরু হয়ে যায় মালদার ঢাকিদের ভিন রাজ্যের পুজো কমিটিগুলির কাছ থেকে বায়না ধরার কাজ। দুর্গাপুজোর মরশুমে পাঁচ দিন, এ ছাড়া কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী, কার্তিক–সহ নানা পুজোয় চাহিদা থাকে মালদার ঢাকিদের।

পাশাপাশি ছট পুজোর সময়ে বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশে যাওয়ার জন্য মালদা থেকে অসংখ্য ঢাকিরা বায়না পেয়ে থাকেন। বিজেপির দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘পুজোর মরশুমে ঢাকিরা ভিন রাজ্যে যাওয়া নিয়ে কোন সমস্যা নেই। একটি চক্র ভিত্তিহীন প্রচার করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।’

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন