Saturday, 18 April, 2026
18 April
HomeদেশPM Modi: আজ রাত ঠিক সাড়ে ৮ টা ! জাতির উদ্দেশে ভাষণ...

PM Modi: আজ রাত ঠিক সাড়ে ৮ টা ! জাতির উদ্দেশে ভাষণ প্রধানমন্ত্রীর

বিলটি পাশ না হওয়ার পর হতাশার সুর শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর গলায়, পাশাপাশি বিরোধী দলগুলিকে কড়া ভাষায় আক্রমণও করেন তিনি।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশ না হওয়ার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই ঘটনার ঠিক একদিন পরই আজ রাত ৮টা ৩০ মিনিটে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে এই ঘোষণা করা হয়েছে, যা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

সূত্রের খবর, শনিবার সকালে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই ইস্যুতে সরব হন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে তিনি বিরোধী দলগুলির তীব্র সমালোচনা করে বলেন, মহিলা সংরক্ষণ বিলের বিরোধিতা করে তারা “অপরাধমূলক মানসিকতা”র পরিচয় দিয়েছে। তাঁর মতে, এই বিল শুধুমাত্র একটি আইন নয়, এটি দেশের মহিলাদের ক্ষমতায়নের একটি বড় পদক্ষেপ ছিল, যা আটকে দিয়ে বিরোধীরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

আরও পড়ুনঃ বিরাট যুদ্ধে জিততে কিছু লড়াই হারতে হয়; তকমা পেল বিরোধীরা “মহিলা বিরোধী”

প্রধানমন্ত্রী নাকি বৈঠকে আরও বলেন, বিরোধী দলগুলি ইচ্ছাকৃতভাবে এই বিলকে সমর্থন করেনি এবং এর ফলে তারা দেশের নারীদের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তিনি সতর্ক করে দেন, এই সিদ্ধান্তের জন্য ভবিষ্যতে রাজনৈতিক মূল্য দিতে হতে পারে বিরোধীদের। তাঁর মতে, দেশের সাধারণ মানুষ বিশেষ করে মহিলা ভোটাররা এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছেন এবং এর প্রভাব আগামী নির্বাচনে পড়তে বাধ্য।

সূত্র অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তাঁর দলীয় নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন যাতে এই বার্তাটি দেশের প্রতিটি গ্রামে পৌঁছে দেওয়া হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিরোধীদের “নারীবিরোধী মানসিকতা” সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে হবে। এর মাধ্যমে বিজেপি এই ইস্যুটিকে একটি বড় রাজনৈতিক প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ ‘গণতন্ত্রের পরাজয়’! পাশ হল না মহিলা সংরক্ষণ বিল

অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছে। তাদের দাবি, বিলটি নিয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার ছিল না এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপেক্ষা করা হয়েছে। বিরোধীদের মতে, শুধুমাত্র রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার জন্য এই বিল আনা হয়েছিল এবং বাস্তবে নারীদের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামোগত পরিবর্তনের কথা ভাবা হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর আজকের ভাষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তিনি এই ভাষণের মাধ্যমে একদিকে যেমন বিরোধীদের আক্রমণ করতে পারেন, তেমনই দেশের মহিলাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিতে পারেন। বিশেষ করে মহিলা ভোটারদের কাছে পৌঁছনোর জন্য এই ভাষণকে একটি বড় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন