মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি তৃণমূল কংগ্রেসের সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবেই দখল নিয়ে ফেললেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি হওয়ার পর এই প্রথম বার তাঁকেই দলের সভানেত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। দলের ৬০ জন বিধায়ক ও কলকাতা পুরসভার অন্তত ৭০ জন কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা নির্বাচিত করা হল মধ্য হাওড়ার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক অরূপ রায়কে।
আরও পড়ুনঃ ‘ইচ্ছা না থাকলে হরে কৃষ্ণ বলবেন না’, এবার কলকাতার স্কুলে মিড ডে মিল খাওয়াবে ইসকন; সাফ কথা শুভেন্দুর
নিউটাউনের নোভোটেল হোটেলে ডাকা ওই বৈঠকের শুরুতে তা এদিন ব্যাখ্যা করেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় তৃণমূলের ‘সাংবিধানিক সংকটের’ কথা তুলে ধরেন।

কী সেই সংকট? ঋতব্রত বৈঠকে বলেন, তৃণমূলের সংবিধানের ২০ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে প্রতি তিন বছর অন্তত ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি তৈরি হবে। নির্বাচন কমিশনের কাছে এ ব্যাপারে তৃণমূল কংগ্রেস দায়বদ্ধ। শেষ বার ২০২২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তৃণমূলের ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি তৈরি হয়েছিল। তার পর ৩ বছর কেটে গেছে। দলের নতুন ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই কারণেই এই বৈঠক জরুরি ভাবে ডাকা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ বদলেই গেল বাংলার মানচিত্র, ঘোষণা সরকারের
ঋতব্রত এর পর জানান, এবার কিছু বিষয় দ্রুত সেরে ফেলতে হবে। প্রথমে তৈরি হবে ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি। প্রথমে দশ জনের নাম প্রস্তাব করা হবে। তার পর সেই দশ জন আরও দশ জনকে তার পর আরও দশকে বেছে নেবেন। এভাবে তিরিশ জনকে নিয়ে ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি তৈরি হবে।
এই ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি তৈরি হওয়ার পর রাজ্য কমিটি ও তার পর জেলা কমিটি এবং ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশনের কমিটি তৈরি করা হবে।
তৃণমূলের সর্বভারতীয় ওয়ার্কিং কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে প্রথমে যে দশ জনের নাম ঘোষণা করা হয় তা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁরা হলেন, অরূপ রায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, বিপ্লব মিত্র, আখরুজ্জামান, সাবিনা ইয়াসমিন, সন্দিপন সাহা, রথিন ঘোষ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।


