Thursday, 16 April, 2026
16 April
Homeজ্যোতিষ/আধ্যাত্মিকতাSaraswati Puja 2026: মনে একটু সংশয়! সূর্যোদয়স্পর্শী ভক্তরা বিশেষ আশীর্বাদ পাবেন এই...

Saraswati Puja 2026: মনে একটু সংশয়! সূর্যোদয়স্পর্শী ভক্তরা বিশেষ আশীর্বাদ পাবেন এই সময়

পুজোর শুভ সময় হল, সকাল 6.43 থেকে দুপুর 12.15 পর্যন্ত

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

মাঘ মাসের শুক্ল পঞ্চমী তিথি মানেই বাঙালি ঘরে ঘরে বিদ্যার দেবী সরস্বতীর আরাধনা। সনাতন ধর্মে মাঘ মাসকে আধ্যাত্মিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই মাসে যে কোনও উৎসব বা তিথিকে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয় ৷ তবে মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথির গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। বিশ্বাস করা হয় জ্ঞান, বুদ্ধি এবং বিদ্যার দেবী সরস্বতী এই দিনে আবির্ভূত হয়েছিলেন। এই কারণেই এই তিথিকে বসন্ত পঞ্চমী বলা হয়। এবছর বসন্ত পঞ্চমী বা সরস্বতী পুজো কবে ? এনিয়ে অনেকের মনেই ধন্দ তৈরি হয়েছে ৷

সরস্বতী পুজো ঠিক কতক্ষণ থাকবে, কখন পুজো করা সবচেয়ে শুভ এবং পঞ্জিকা অনুযায়ী এই তিথির প্রকৃত গুরুত্ব কী, এই প্রশ্নগুলি প্রতিবছরই মানুষের মনে জিজ্ঞাসা থাকে। জ্যোতিষীরা এনিয়ে বক্তব্য স্পষ্ট করেছেন। শাস্ত্র মতে, সূর্যোদয়স্পর্শী তিথিকেই পুজোর জন্য গ্রহণ করা হয়। সেই হিসেবে 23 জানুয়ারি, শুক্রবার সকাল থেকে সরস্বতী পুজো পালন করাই সর্বাধিক প্রচলিত ও শাস্ত্রসম্মত। তবে যাঁরা বিশেষ তিথি বিচার করে পুজো করেন, তাঁরা বৃহস্পতিবার রাতের পর থেকেই দেবীর আরাধনার প্রস্তুতি শুরু করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ “ঠাকুর ঘরে কে…”! বেরল গর্ত থেকে ইঁদুর

বসন্ত পঞ্চমী কখন ?

হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে, মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথি আগামী 23 জানুয়ারি গভীর রাত 2.28 মিনিটে শুরু হবে ৷ চলবে 24 জানুয়ারি গভীর রাত 1.46 মিনিট পর্যন্ত। লখনউয়ের জ্যোতিষী উমাশঙ্কর মিশ্রের মতে, “সনাতন ধর্মে কেবল উদয় তিথিই স্বীকৃত। যেহেতু 23 জানুয়ারি পঞ্চমী তিথি উদিত হবে, তাই সেই দিনই বসন্ত পঞ্চমী পালিত হবে। এই হিসাব অনুযায়ী বসন্ত পঞ্চমী মোট স্থায়ী হচ্ছে 23 ঘণ্টা 17 মিনিট। অর্থাৎ প্রায় পুরো একদিন জুড়েই এই পুণ্য তিথির প্রভাব থাকবে।”

সরস্বতী পুজার শুভ সময়

বসন্ত পঞ্চমীর দিনটি দেবী সরস্বতীর উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়। তাঁকে জ্ঞান, প্রজ্ঞা, বিদ্যা, সঙ্গীত এবং শিল্পের দেবী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে এই দিনে তাঁর পুজো করলে মনে শান্তি আসে এবং জ্ঞান বৃদ্ধি পায়। এই দিনটি পড়াশোনা, সঙ্গীত, শিল্প বা শিক্ষার সঙ্গে জড়িতদের জন্য বিশেষ বলে বিবেচিত হয়। পুজোরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। জ্যোতিষীর মতে, “পুজোর শুভ সময় হল, সকাল 6.43 থেকে দুপুর 12.15 পর্যন্ত। এই সময়ে দেবীকে পুজো করলে ভক্তরা বিশেষ আশীর্বাদ পাবেন ৷”

আরও পড়ুনঃ আবারও কৃষিতে বাংলায় সবুজ বিপ্লব! খবর দিলেন মমতা

মাঘমাসের শুক্লপঞ্চমী কেন বিশেষ ?

উমাশঙ্কর মিশ্র ব্যাখ্যা করে বলেন, “প্রতি মাসে দু’টি পঞ্চমী তিথি থাকে ৷ একটি কৃষ্ণপক্ষে এবং অন্যটি শুক্লপক্ষে (শুষ্কপক্ষে)। তবে, মাঘ মাসের শুক্ল পঞ্চমীর বিশেষ ধর্মীয় তাৎপর্যের কারণ, এই দিনে দেবী সরস্বতী আবির্ভূত হন। স্কুল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গানের স্কুলে বিভিন্ন ক্লাবে, পাড়ায় পাড়ায় বা নিজস্ব বাড়িতে বাগদেবীর বন্দনায় মেতে ওঠেন আট থেকে আশিরা ৷ শিক্ষা জীবনের সূচনা হিসেবে হাতেখড়ি বা বিদ্যারম্ভ করার জন্যও বসন্ত পঞ্চমীকে অত্যন্ত শুভ দিন বলে মনে করা হয়। অনেক পরিবার এই দিনই সন্তানের প্রথম পড়াশোনা শুরু করান। বিশ্বাস করা হয়, এই তিথিতে দেবীর কৃপা পেলে শিক্ষাজীবনে বাধা আসে না এবং জ্ঞানের পথ সুগম হয়।

বসন্ত পঞ্চমীতে কী করবেন ?

ব্রহ্ম মুহূর্তে ঘুম থেকে উঠে স্নান করা উচিত। এরপর, সাদা বা হলুদ পোশাক পরা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর জায়গায়, দেবী সরস্বতীর একটি মূর্তি রাখুন ৷ তার নীচে যেন সাদা কাপড় থাকে ৷ এরপর সরস্বতীর কাছে, বই বা বাদ্যযন্ত্র অর্পণ করুন। হলুদ ফুল নিবেদন করুন বাগদেবীকে ৷ দেবীকে আরাধনার সময় প্রদীপ জ্বালান ৷ এরপর সরস্বতী মন্ত্র জপ করুন ৷ বিশ্বাস করা হয়, বসন্ত পঞ্চমীর দিনে পুজো করলে দেবী সরস্বতীর বিশেষ আশীর্বাদ পাওয়া যায় ৷ জ্ঞান, বুদ্ধি এবং সাফল্যের পথ প্রশস্ত করে। জ্যোতিষী বিশ্বাস করেন, “সঠিক তিথি জেনে পুজো করলে শাস্ত্রসম্মত ফল লাভের বিশ্বাস বহু প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে।”

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন