উত্তরাখণ্ডের একদল তরুণ উদ্যোক্তা ও প্রকৌশলী একটি বিশেষ ‘ফ্লাইং কার’ বা উড়ন্ত গাড়ি (eVTOL – Electric Vertical Take-off and Landing Vehicle) তৈরি করে প্রযুক্তির দুনিয়ায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন। পাহাড়ি দুর্গম অঞ্চলে যেখানে সড়কপথে যেতে ৪০ মিনিট বা তার বেশি সময় লাগত, সেখানে এই নতুন উদ্ভাবনটির মাধ্যমে মাত্র ১২ মিনিটে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ তারকেশ্বর ফেরার পথে জলযাত্রী বাস-ট্রাক সংঘর্ষ, ২০ জন আহত
উদ্ভাবনের মূল বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা
-
উলম্ব উড্ডয়ন ও অবতরণ: সাধারণ বিমানের মতো রানওয়ের প্রয়োজন হয় না; হেলিকপ্টারের মতো যেকোনো ছোট জায়গায় সরাসরি উড়তে ও নামতে পারে।
-
সময় ও জ্বালানি সাশ্রয়: সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক ক্ষমতায় চলায় এটি পরিবেশবান্ধব এবং এর মাধ্যমে দুর্গম পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তার দীর্ঘ ভ্রমণ একধাক্কায় চার ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে।
-
জরুরি পরিষেবা: শুধুমাত্র সাধারণ যাতায়াতের জন্যই নয়, পাহাড়ি এলাকায় জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা (Air Ambulance), ওষুধ সরবরাহ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দ্রুত ত্রাণ পৌঁছাতে এই প্রযুক্তি অত্যন্ত কার্যকারী হতে চলেছে।
আরও পড়ুনঃ নেটওয়ার্ক ছাড়াই জরুরি বার্তা পৌঁছানোর কৌশল; সোদপুরে হ্যাম রেডিওর বিশেষ মকড্রিল
উত্তরাখণ্ডের মতো পাহাড়ি রাজ্যে ধস বা খারাপ আবহাওয়ার কারণে প্রায়শই সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়। স্থানীয় তরুণদের উদ্ভাবিত এই ফ্লাইং কার ভবিষ্যৎ যাতায়াত ব্যবস্থায় এক বিরাট পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।
বর্তমানে এই প্রোটোটাইপটির পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সফল হলেও, খুব শীঘ্রই এটিকে বাণিজ্যিক ও জরুরি পরিষেবা ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি ছাড়পত্র ও পরিকাঠামোগত অনুমোদন দেওয়ার প্রক্রিয়া বিবেচনা করা হচ্ছে।


