spot_img
Monday, 16 March, 2026
16 March
spot_img
Homeউত্তরবঙ্গSiliguri Ragging: স্কুল ছাড়ল নির্যাতিত ছাত্র! বিতর্কে শিলিগুড়ি বয়েজ

Siliguri Ragging: স্কুল ছাড়ল নির্যাতিত ছাত্র! বিতর্কে শিলিগুড়ি বয়েজ

সমালোচনার মুখে পড়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

স্কুলের পরিবেশ নিয়ে অসন্তুষ্ট অভিভাবক। শিলিগুড়ি বয়েজ হাই স্কুল থেকে ছেলের নাম কাটালেন এক অভিভাবক। স্কুলে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন ওই ছাত্রের বাবা। তাঁর দাবি, স্কুলে তাঁর ছেলেকে প্রতিনিয়ত মারধর করা হতো। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেও স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও সাহায্য মেলেনি, দাবি করেছেন তিনি। যদিও স্কুলের প্রধান শিক্ষক উৎপল দত্ত এই অভিযোগ উড়িয়ে দাবি করেছেন, তাঁরা ছাত্রদের প্রতি যথেষ্ট সংবেদনশীল। মঙ্গলবার ওই ছাত্রের বাবার অভিযোগ, ‘স্কুলে দীর্ঘদিন থেকে ছেলেকে মারধর করা হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগও করেছিলাম। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। ফলে ছেলেকে এই স্কুলে রাখতে ভরসা পাচ্ছি না।’

আরও পড়ুনঃ মন খারাপ সিকিম, কালিম্পংয়ের! ফের বন্ধ NH 10

এই বিষয়ে প্রধান শিক্ষক উৎপল দত্ত পাল্টা বলেন, ‘দু’একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছে। তবে সংবাদমাধ্যমে অতিরিক্ত খবর প্রকাশ হওয়াতেই বিষয়টি বাড়াবাড়ি বলে মনে হচ্ছে। আমরা ছাত্রদের প্রতি যথেষ্ট সংবেদনশীল। ওই ছাত্রকে স্কুলে রেখে দেওয়ার জন্য বহুবার অনুরোধ করা হয়েছে।’

যদিও একাধিক অভিভাবকের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে স্কুলের বেশ কয়েকটি ঘটনা উদ্বিগ্ন হওয়ার জন্য যথেষ্ট। জানা যাচ্ছে, মূলত অষ্টম শ্রেণির ব্যাচকে কেন্দ্র করেই অভিযোগ এসেছে। কয়েকদিন আগে ওই স্কুল ছেড়ে দেওয়া ছাত্রের কাছে অন্য এক ছাত্র প্রতিদিন ২০ টাকা করে দেওয়ার দাবি করতে থাকে। অভিযোগ, টাকা না দেওয়ায় মারধরও করা হয় তাকে। এর পর অভিযুক্ত ছাত্র নিজেই সেই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে (ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি বঙ্গবার্তা’)।

আরও পড়ুনঃ RYF-এর ‘অধিকার যাত্রা’-র ডাক এবার ছড়িয়ে পড়ল কামাখ্যাগুরি জুড়ে

শুধু তাই নয়, অষ্টম শ্রেণির কয়েকজন ছাত্রের মধ্যে অশান্তির ঘটনায় বহিরাগত নাবালকদের ২০০ টাকার বিনিময়ে স্কুলের কয়েকজনকে মারধর করার জন্য আনা হয় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনায় ধারালো ছুরি হাতে বহিরাগত দুই নাবালক স্কুলে ঢুকে অষ্টম শ্রেণির দুই ছাত্রকে শাসিয়ে যায়। যদিও সেই ঘটনায় স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দাবি ছিল, তা ছুরি নয়, পেন্সিল কাটার ছিল। শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

কিন্তু অশান্তির তালিকা আরও দীর্ঘ। গত সোমবার কলেজপাড়ায় স্কুলের তিন ছাত্রকে বহিরাগত দুই নাবালক রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করে। অভিযোগ, স্কুলেরই কয়েকজন পড়ুয়া বহিরাগত নাবালকদের টাকার বিনিময়ে সহপাঠীদের পেটানোর দায়িত্ব দিয়েছিল। এই ঘটনাগুলিকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার স্কুলে একটি বৈঠকও ডাকা হয় এবং অভিযোগকারী, অভিযুক্ত-সমস্ত পক্ষের ছাত্রদের ডাকা হয় এই সভায়। অভিযুক্ত ছাত্রদের পরিবারের তরফে ক্ষমাও চাওয়া হয়। যদিও সোমবার ছাত্রদের আক্রমণকারী বহিরাগত নাবালক ও তাদের পরিবারের তরফে এ দিন কেউ হাজির হননি। স্কুলের পরিবেশ নিয়ে এক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে সন্তানকে স্কুলে পাঠানোর আগে দু’বার ভাবতে হবে। এই ধরনের ঘটনাগুলিতে শহরের নাগরিকমহলেও উদ্বেগের ছায়া। শিলিগুড়ি শিক্ষা জেলা আধিকারিক ( ডিআই) রাজীব প্রামাণিক বলেন, ‘প্রধান শিক্ষকের থেকে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরে তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।’

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন