শিবনাথ প্রধান, সাঁতরাগাছি, হাওড়াঃ
ইরানের ভূমিধ্বস (১৯৯০): ১৯৯০ সালের ২০শে জুন ইরানে ঘটে যাওয়া বড় ভূমিধ্বসটি ছিল মূলত মঞ্জিল-রুদবার ৭.৩ মাত্রায় ভূমিকম্প, যা একটি শক্তিশালী টেকটোনিক ভূমিকম্পের ফল। এর ফলে উত্তর ইরানের কাস্পিয়ান সাগর অঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটায়। এটি ছিল ইরানের ইন্সট্রুমেন্টাল সময়কালে ঘটে যাওয়া বৃহত্তম এবং সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পগুলির মধ্যে একটি। ভূমিকম্পটি প্রায় ২০,০০০ বর্গকিলোমিটার (৭,৭০০ বর্গমাইল) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত ছিল, যা মঞ্জিল, রুদবার, এবং অন্যান্য শহরগুলির ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
আরও পড়ুনঃ ধ্বংসের নিরিখে নাইজেরিয়া সবার উপরে! একদিকে পৃথিবীকে বাঁচানোর লড়াই আর অন্য দিকে বনভূমি ধ্বংস
এই ভূমিকম্পে ভূমিধ্বসের ফলে মাটি চাপা পরেই বেসরকারি হিসাবে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা যায় এবং ৩ লক্ষেরও বেশি মানুষ আহত হয়। গৃহহীন মানুষের সংখ্যা ৫ লক্ষের অধিক । এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো ইরান আরবীয় এবং ইউরেশীয় প্লেটের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ “ফাটল” অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে দুটি প্লেটের সংঘর্ষ নিয়মিত ঘটে থাকে।
* এরপর মৃতের সংখ্যা হিসেবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পেরুতে ঘটে যাওয়া ভূমিধ্বস। ১৯৭০ সালের ৩১ মে পেরুর ওই ভূমিধ্বসে মৃত্যু হয় অন্তত ২০ হাজার মানুষের।
* এরপর তৃতীয় স্থানে রয়েছে সুইস আল্পসে ঘটে যাওয়া খ্রিস্টপূর্ব ২১৮ সালের ভূমিধ্বসের ঘটনা। এতে প্রাণ হারিয়েছিল প্রায় ১৮ হাজার মানুষ।
আরও পড়ুনঃ রহস্যে ঘেরা আমাদের এই পৃথিবী; আঞ্জিকুনি রহস্য, কানাডা
* প্রাণহানির বিচারে চতুর্থ ভয়াবহতম ভূমিধ্বসের ঘটনা আবারো ওই পেরুরই। ১৯৪১ সালের ১৩ ডিসেম্বর পেরুতে ঘটে যাওয়া ওই ভূমিধসে প্রাণ হারাতে হয় ৬ হাজার লোকের।
* আর পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভারত। ২০১৩ সালের জুন মাসে ভারতের কেদারনাথে ভয়াবহ ভূমিধ্বসের ঘটনায় প্রাণহারায় ৫ হাজার ৭০০ জন।









