spot_img
Friday, 16 January, 2026
16 January
spot_img
HomeকলকাতাSIR West Bengal: সোনাগাছির যৌনকর্মীদের জন্য বিশেষ ক্যাম্প করতে চলেছে কমিশন

SIR West Bengal: সোনাগাছির যৌনকর্মীদের জন্য বিশেষ ক্যাম্প করতে চলেছে কমিশন

চারিদিক থেকে এ নিয়ে চর্চা শুরু হতেই নড়েচড়ে বসল নির্বাচন কমিশন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

২০০২ সালের নথি তাঁদের পক্ষে জোগাড় করা কার্যত অসম্ভব। যাঁরা পরিবারের কাছে তাঁদের পেশা গোপন করে রেখেছেন সামাজিক বেড়াজালের কারণে সেই অংশের পক্ষেও পরিবারের নথি জোগাড় করা সম্ভব নয়। কথা হচ্ছে যৌনকর্মীদের নিয়ে। এশিয়ার বৃহত্তম যৌনপল্লি সোনাগাছিতে এসআইআর আতঙ্ক নিয়ে এসআইআর আবহে কম প্রশ্ন ওঠেনি। ভোটার কার্ডে বিশেষ নিবিড় সংশোধন শুরুর ১৭ দিনের মাথায় যৌনকর্মীদের কথা মাথায় রেখে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি লিখে সমাধানের আর্জিও জানায় তিন সংগঠন।

আরও পড়ুনঃ বৃদ্ধি যোগের সঙ্গে ধ্রুব যোগ, সিদ্ধিদাতার কৃপায় ব্যবসায় বাজিমাত এই চার রাশির

চারিদিক থেকে এ নিয়ে চর্চা শুরু হতেই নড়েচড়ে বসল নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, রাজ্যের সিইও দফতর যৌনকর্মীদের জন্য একটি স্পেশ্যাল ক্যাম্প করতে চলেছে সোনাগাছি এলাকায়। যেখানে কমিশনের আধিকারিক হিসেবে ইআরও স্বয়ং উপস্থিত থাকবেন। তিনি ক্যাম্পে বসে শুনবেন কাদের এহেন সমস্যা রয়েছে। সব কিছু বিচার-বিবেচনা করে যাতে তাঁদের ভোটার কার্ড হয়ে যায়, কমিশনের সঙ্গে কথা বলে তিনিই সেই সিদ্ধান্ত নেবেন।

যৌনকর্মীদের সমস্যার কথা বলতে আগে তো তিনটি সংগঠন এসেছিলই, আজ অর্থাৎ মঙ্গলবারও একটি সংস্থা মুখ্য নির্বাচনী অয়াধিকারিকের অফিসে এসে জানায়, এমন অনেক মেয়েরা আছেন, যাঁদের মা-বাবার পরিচয় অজানা। সেক্ষেত্রে এসআইআর পর্বে যেন তাঁদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিচার বিবেচনা করা হয়। এরপরই প্রথম পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, শিগগিরই একটি স্পেশ্যাল ক্যাম্প খোলা হবে সোনাগাছি এলাকায়। যেখানে যৌনকর্মীদের সমস্ত সমস্যার কথা শোনা হবে।

আরও পড়ুনঃ কলকাতার তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রির ঘরে নামল, মরশুমে প্রথম; শীতের ছোঁয়ায় কেমন যাবে আজকের দিন

সিইও-কে পাঠানো চিঠিতে ওই তিন সংগঠন একযোগে তিন দফা সমাধানের প্রস্তাব রাখে। তাদের দাবি ছিল, প্রথমত—যৌনকর্মীদের ক্ষেত্রে ভোটার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য কমিশন যেন নির্দিষ্ট কিছু বিকল্প নথি বা পরিচয়পত্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণযোগ্য ঘোষণা করে। দুই, সোনাগাছি এলাকায় বিশেষ শিবিরের আয়োজন করে ভোটার তালিকা সংশোধন ও এনুমারেশন ফর্ম পূরণের প্রক্রিয়া সহজ করা হোক। তিন— যৌনকর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নামে বিদ্যমান ভোটার কার্ড যেন কোনও পরিস্থিতিতেই বাতিল না-হয়, সে বিষয়ে কমিশন স্পষ্ট নির্দেশ দিক।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বিধবা ভাতা–সহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পান সোনাগাছির বহু যৌনকর্মী। সেই কারণেই কমিশনের প্রতি তাঁদের প্রশ্ন— রাজ্য সরকারি প্রকল্পের উপভোক্তা হিসেবে নাম থাকা সত্ত্বেও কেন আবার নাগরিকত্ব নিয়ে সংশয় তৈরি হচ্ছে? পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলে মানছে যৌনকর্মী এবং তাঁদের সন্তানদের সঙ্গে কাজ করা বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

যৌনকর্মীদের অভিযোগ— ২০০২ সালের নথি সংগ্রহ করা তাঁদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। তাই সদ্য চালু হওয়া ক্যাম্পগুলির মাধ্যমে সমস্যা দূর হলে বহু মানুষের দীর্ঘদিনের আতঙ্ক কাটতে পারে বলে আশা করছেন তাঁরা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন