বসন্তের সময় নতুন সাজে সেজে ওঠে প্রকৃতি। এই সময়ে আগমন ঘটে দেবি দুর্গার আদি রুপের। এখন হয় বাসন্তী পূজা। শাস্ত্র মতে এই সময় হল দেবী দূর্গার মূল আরধনার সময়। কিন্তু আপনি কি বাসন্তী পুজোর সম্পূর্ণ সময়সূচী জানেন?
আরও পড়ুনঃ কাঁদছে মুনির! রাওয়ালপিন্ডিতে নূর খান ঘাঁটিতে এবার ড্রোন হামলা তালিবানের
২৬ সালের বাসন্তী পূজা শুরু হচ্ছে ১৯শে মার্চ। কিন্তু বাঙালির কাছে ষষ্ঠী থেকে দশমী হল প্রধান উৎসব। সেই মতো মহাষষ্ঠী পড়েছে ৯ই চৈত্র, ২৪শে মার্চ, মঙ্গলবার। এদিন দেবীকে বোধন ও আমন্ত্রণ জানানো হয়। ষষ্টী তিথি শুরু হবে ২৩ শে মার্চ রাত ৯টা ৩৭ মিনিটে। তা শেষ হবে ২৪ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটে।
মহাসপ্তমী পড়েছে ১০ই চৈত্র, ২৫শে মার্চ, বুধবার। সপ্তমী তিথি শেষ হবে ৪টে ৪৯ মিনিটে। মহাষ্টমী পড়েছে ১১ই চৈত্র, ২৬শে মার্চ, বৃহস্পতিবার। এদিনের মূল আকর্ষণ হল সন্ধিপূজা। এই পুজোর মাহেন্দ্রক্ষণ হল ২৫ মার্চ দুপুর ২টো ৬ মিনিট থেকে ২ টো ৫৪ মিনিট পর্যন্ত। মহাদশমী পড়েছে ১৩ই চৈত্র, ২৮শে মার্চ, শনিবার। এদিন বিজয়া দশমী পালন করা হয়। সঙ্গে দেবীকে বিশর্জন দেওয়া হয়।
আরও পড়ুনঃ ইরানের IRGC-র সদর দফতর গুঁড়িয়ে দিল আমেরিকা
পৌরাণিক কাহিনী মতে, ঋষি মেধসের পরামর্শে রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি বসন্তকালে দেবী দুর্গার আরাধনা করেছিলেন। নিজের রাজ্য ফিরে পাওয়ার জন্যই এই পুজো করেছিলেন তিনি। আর এই পুজোকে দেবী দূর্গার আদি পুজো বলা হয়ে থাকে। আর শরৎ কালে যে পুজো হয় তাকে ‘অকালবোধন’ বলা হয়। কারণ সেই সময় মা দুর্গাকে জাগ্রত করেছিলেন ভগবান রামচন্দ্র।
এই বিশেষ সময় বাসন্তী পোলাও তৈরি করা হয়ে থাকে। কারণ এটি হল মায়ের প্রিয় ভোগ। উত্তর ভারতে এই সময় নবরাত্রি পালিত হয়। নয় দিন ধরে দেবী শৈলপুত্রী থেকে সিদ্ধিদাত্রীর আরাধনা করা হয়ে থাকে। বাংলায় এখনও অনেক বনেদি বাড়িতে ও মণ্ডপে পুজো হয়ে থাকে। তবে এক্ষেত্রে বলে রাখা দরকার, প্রতিবেদনে যে তিথির কথা বলা হয়েছে, তা পঞ্জিকা ভেদে সামান্য আলাদা হতে পারে।









