ইরানের ওপর হামলা চালাতে ভারতীয় ঘাঁট ব্যবহার করেছিল আমেরিকা। সম্প্রতি এক মার্কিন সংবাদ চ্যানেলে এমনই দাবি করা হয়েছিল। প্রাক্তন এক মার্কিন কর্নেল এই দাবি করেছিলেন। যদিও ভারত সরকার এই দাবিকে অস্বীকার করেছে। ওএএন আমেরিকা
আরও পড়ুনঃ ভারত রাশিয়া থেকে LNG কেনার অপশন খুঁজছে! ইউরোপ কি পরের ক্রেতা?
নিউজ নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন মার্কিন কর্নেল ডগলাস ম্যাকগ্রেগর বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র এখন ভারতীয় বন্দরের ওপর নির্ভরশীল। এরপরই বিদেশ মন্ত্রক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ এই দাবিগুলি খারিজ করে পোস্ট করে, ‘ওএএন চ্যানেলে যে দাবি করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ভুয়ো। এই ধরনের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যের বিরুদ্ধে আমরা সকলকে সতর্ক করা হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, ইরানের উপর আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। এরই মাঝে ভারতে নৌমহড়ায় অংশ নেওয়া এর ইরানি রণতরীকে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ধ্বংস করে আমেরিকা। তাতে অন্তত ৮৭ জন ইরানি নাবিকের মৃত্যু ঘটেছে। শ্রীলঙ্কা উপকূলের কাছে ইরানের এই শ্রীলঙ্কা উপকূলে দেয় মার্কিন সাবমেরিন। ইরানের সেই যুদ্ধজাহাজ ভারতের আন্তর্জাতিক নৌমহড়া ‘মিলন’-এ অংশ নিয়েছিল। ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই মহড়া হয়েছিল বিশাখাপত্তনম বন্দরে। এই আবহে ভারতীয় বন্দরের ব্যবহার নিয়ে প্রাক্তন মার্কিন সেনা কর্তার দাবি ঘিরে জল্পনা ছড়িয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাকিস্তান!
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েলের হামলার পর থেকেই পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায় ইরান। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যু হয়। সেই হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং ইরানি বিপ্লবী গার্ড কোরের প্রধানেরও মৃত্যু ঘটে। পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশ জুড়ে ইরান হামলা চালিয়েছে। বাহারিন থেকে শুরু করে দুবাই, সৌদি, কাতার, কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে আছড়ে পড়েছে ইরানি মিসাইল। এই আবহে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি হামলায় আমেরিকার বেশ কয়েকজন সৈনিক নিহত হয়েছেন।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে একাধিক দেশে মার্কিন দূতাবাস এবং সিআইএ স্টেশনেও হামলা চালিয়েছে ইরান। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা বি২ বোমারু বিমান দিয়ে ইরানে হামলা চালিয়েছে। ইরানের একাধিক রণতরী তারা ধ্বংস করেছে বলে জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে। এদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আইআরজিসি’র সদর দফতর ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে ইরান দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনও ট্যাঙ্কার পার হতে দেবে না তারা।









