spot_img
Friday, 6 March, 2026
6 March
spot_img
Homeদক্ষিণবঙ্গOil Crisis: হঠাৎ আতঙ্ক? যুদ্ধের এফেক্ট শুরু! বঙ্গে ভয়াবহ ও বিশৃঙ্খল ছবি

Oil Crisis: হঠাৎ আতঙ্ক? যুদ্ধের এফেক্ট শুরু! বঙ্গে ভয়াবহ ও বিশৃঙ্খল ছবি

জ্বালানি কেনার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন মানুষ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের এফেক্ট‘! শুরু তেলের তীব্র হাহাকার। পেট্রোল পাম্পগুলিতে সারি সারি গাড়ির লম্বা লাইন। জ্বালানি কেনার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন মানুষ। কেউ কেউ আবার তিন-চারটি পাম্প ঘুরেও খালি হাতে ফিরছেন। হঠাৎ করেই এমন ভয়াবহ ও বিশৃঙ্খল ছবি ধরা পড়েছে নদিয়া জেলায়। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের জেরে ভারতে তেল সংকট তৈরি হতে পারে, মূলত এমন আশঙ্কা থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

আরও পড়ুনঃ উত্তপ্ত কোচবিহার! বিজেপির রথে ‘ভাঙচুর’

গত বেশ কয়েকদিন ধরেই চর্চা চলছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে ভারতে জ্বালানি সরবরাহে টান পড়তে পারে। সম্প্রতি খবর ছড়ায়, ভারতের ভান্ডারে আর মাত্র ২৫ দিনের ব্যবহারযোগ্য তেল মজুত রয়েছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম আকাশছোঁয়া হতে পারে বলে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয় সাধারণ মানুষের মনে।

যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনই কোনও ভাবনাচিন্তা নেই। কিন্তু সাধারণ মানুষ ভরসা রাখতে পারছেন না। “যদি পরে আর তেল না পাওয়া যায়” বা “যদি দাম হু হু করে বেড়ে যায়”, এই ভয় থেকেই তড়িঘড়ি অতিরিক্ত তেল মজুত করার হিড়িক পড়েছে নদিয়ার পাম্পগুলিতে।

তেল মজুত করার এই প্রবণতার জেরে পেট্রোল পাম্পগুলি দ্রুত মজুত-শূন্য হয়ে পড়ছে। সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে ডিজেলের ক্ষেত্রে।

মাথায় হাত পড়েছে কৃষকদেরও৷ এক ক্রেতা জানান, তিনি পেশায় কৃষক। ধানের জমিতে সেচের কাজে পাম্প চালানোর জন্য ডিজেল কিনতে এসেছিলেন। কিন্তু প্রায় ৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরও তিনি ডিজেল পাননি৷

কী বলছেন পাম্প কর্মীরা? এক পেট্রোল পাম্প কর্মীর কথায়, “গত দু’দিন ধরে ডিজেল এত বেশি বিক্রি হয়েছে যে স্টক পুরোপুরি শেষ। বাধ্য হয়ে এখন ডিজেল দেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। পেট্রোল এখনও রয়েছে, তবে তার বিক্রিও রেকর্ড ছুঁয়েছে। আগে কোনওদিন এত তেল বিক্রি হয়নি। বাইরের যুদ্ধ পরিস্থিতির গুজবের কারণেই এই সংকট।”

আরও পড়ুনঃ ‘রাত দখল’ বামেদের; মনোজ আগরওয়াল অধরাই বামেদের

তেল নিয়ে এই হাহাকার পরিস্থিতির মাঝে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও। গুজবে কান না দেওয়ার আর্জি বিজেপির৷ রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলছে ঠিকই, কিন্তু কিছু লোক অহেতুক আতঙ্ক তৈরি করে তেল মজুত করছেন। দয়া করে এটা করবেন না। ভারতের কাছে প্রচুর পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল রয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্র এড়িয়েও দেশে তেল আসার বিকল্প রাস্তা খোলা রয়েছে। গুজবে কান দিয়ে তেল সঞ্চয়ের খেলায় মাতবেন না।”

অন্যদিকে, কৃষ্ণনগরের তৃণমূল জেলা যুব সভাপতি অয়ন দত্ত এই প্যানিক সৃষ্টির জন্য কেন্দ্রকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন। তিনি বলেন, “পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক যখন জানায় যে ভারতের কাছে ২৫ দিনের তেল মজুত রয়েছে, তখন সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্যাস ও তেলের দাম বাড়ার আতঙ্ক তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক। পেট্রোলপাম্পগুলিতে ভিড় বাড়ছে এবং মানুষ প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল তুলছেন। কেন্দ্র সরকারই ইচ্ছা করে এই আতঙ্ক তৈরি করার চেষ্টা করেছে।” বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং গুজব ঠেকাতে প্রশাসনের তরফে নজরদারি চালানো হচ্ছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন