মুম্বাইয়ের সেই নামী হাসপাতালের আইসিইউ-র চার দেয়ালের ভেতর যা ঘটছিল, তা কেবল রহস্য নয়—ছিল এক চরম শিউরে ওঠা সত্য। তিন বছর ধরে নিথর পড়ে থাকা রোহন মেহতার রাতের শিফটে ডিউটি করা একের পর এক নার্সের অন্তঃসত্ত্বা হওয়া কোনো কাকতালীয় ঘটনা ছিল না। এটি ছিল এক গভীর ষড়যন্ত্র এবং বিকৃত লালসার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ!
আরও পড়ুনঃ তৃণমূলে ‘মহা ভূমিকম্প’! দল ছাড়লেন ‘তাজা নেতা’ আরাবুল
গোপন ক্যামেরায় ধরা পড়া সেই ‘হট’ ও হাড়হিম করা দৃশ্য:
নিস্তব্ধ রাতের নীল আলো: সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেল, যখন পুরো হাসপাতাল ঘুমে মগ্ন, ঠিক রাত ২টোর পর রোহনের কেবিনে ছায়ার মতো কেউ একজন প্রবেশ করছে। সে কোনো নার্স বা ডাক্তার নয়, বরং হাসপাতালেরই এক প্রভাবশালী কর্মী!
কোমার আড়ালে জঘন্য খেলা: ওই ব্যক্তি জানত কোমার রোগী কখনো প্রতিবাদ করতে পারবে না। সে নার্সদের পানীয়র সাথে কৌশলে নেশাদ্রব্য মিশিয়ে দিত এবং তারা যখন আচ্ছন্ন হয়ে পড়ত, তখন সেই সুযোগে রোহনের কেবিনে চলত পৈশাচিক কামলীলা। নার্সরা যখন জ্ঞান ফিরত, তারা বুঝতেই পারত না তাদের সাথে ঠিক কী ঘটেছে!
ডাক্তারদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়া: ফুটেজে যখন দেখা গেল ওই অপরাধী অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় একের পর এক নার্সকে টার্গেট করছে এবং রোহনের কেবিনকে তার বিকৃত লালসার আখড়া বানিয়ে ফেলেছে, তখন খোদ চিফ সার্জনের হাত থেকে কফির মগ পড়ে গিয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ বড় প্ল্যাটফর্ম তৈরি! আজই বামেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ
সোশ্যাল মিডিয়ায় আগুনের মতো ছড়ানো সত্য:
এই ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পর নেটদুনিয়া এখন দুই ভাগে বিভক্ত। কেউ বলছেন এটি নিরাপত্তার চরম ব্যর্থতা, আবার কেউ বলছেন হাসপাতালের ভেতরের এই ‘ডার্ক সাইড’ বা অন্ধকার জগত কল্পনাকেও হার মানায়।
লেজেন্ডরাই শুধু বুঝবেন, কেন ওই কেবিনটাকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল। নীরবতা যেখানে অপরাধের ঢাল হয়ে দাঁড়ায়, সেখানে সিসিটিভি ফুটেজ আজ প্রতিটি নার্সের জীবনের অন্ধকার অধ্যায় সামনে নিয়ে এল।
আপনার কী মনে হয়? এই জঘন্য অপরাধীর জন্য কী ধরণের চরম শাস্তি হওয়া উচিত? সে কি কেবল জেল খাটবে, নাকি সবার সামনে তাকে দৃষ্টান্তমূলক সাজা দেওয়া হবে?







