Monday, 13 April, 2026
13 April
HomeদেশIconic Singer: স্তব্ধ মায়ানগরী, নীরব সুরের ভুবন; ‘কাসা গ্র্যান্ডে’ শোকের ছায়া

Iconic Singer: স্তব্ধ মায়ানগরী, নীরব সুরের ভুবন; ‘কাসা গ্র্যান্ডে’ শোকের ছায়া

আশা ভোঁসলের শেষযাত্রায় সামিল হতে সোমবার সকালেই পৌঁছে যান বলিউড ও ক্রীড়াজগতের দিকপালরা।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

স্তব্ধ মায়ানগরী, নীরব সুরের ভুবন। সোমবার দুপুর গড়াতেই মুম্বইয়ের লোয়ার পারেল এলাকার ‘কাসা গ্র্যান্ডে’ আবাসনে নেমে এল শোকের ছায়া। ভারতের সুরসম্রাজ্ঞী আশা ভোঁসলের প্রয়াণে এদিন সকাল থেকেই তাঁর বাসভবনে ভিড় জমিয়েছিলেন অগণিত অনুরাগী ও বিশিষ্টজনেরা। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস এদিন শিল্পীর মরদেহে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শেষশ্রদ্ধা জানান।

আরও পড়ুনঃ “যেতে দাও আমায় ডেকো না”; গান স্যালুটে শেষ সেলাম!

ভারতীয় সংগীত জগতের এই মহীরুহকে যথাযথ সম্মান জানাতে তাঁর মরদেহ জাতীয় পতাকায় মুড়ে দেওয়া হয়। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, শিল্পীকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হচ্ছে। দুপুর ২টো পর্যন্ত তাঁর মরদেহ বাসভবনেই শায়িত ছিল, যাতে গুণমুগ্ধরা তাঁদের প্রিয় ‘আশা তাই’-কে শেষবারের মতো চাক্ষুষ করতে পারেন। বিকেল ৪টে নাগাদ শিবাজী পার্কে সম্পন্ন হবে তাঁর শেষকৃত্য।

আশা ভোঁসলের শেষযাত্রায় সামিল হতে সোমবার সকালেই পৌঁছে যান বলিউড ও ক্রীড়াজগতের দিকপালরা। সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন ক্রিকেট কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকর। এ ছাড়াও রিতেশ দেশমুখ, তব্বুসহ টিনসেল টাউনের বহু তারকা এদিন চোখের জলে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্রিয় শিল্পীর পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিতে ভিড় জমিয়েছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ পরিজনেরা।

শনিবার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ব্রীচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৯২ বছর বয়সি এই শিল্পী। তাঁর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিল গোটা দেশ। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে টুইট করেছিলেন। কিন্তু চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে রবিবার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ব্রীচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতীত সমদানি জানিয়েছেন, বার্ধক্যজনিত কারণে শরীরের একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়াই (Multiple organ failure) তাঁর মৃত্যুর প্রধান কারণ।

আরও পড়ুনঃ এই গান নিষিদ্ধ করা হয়েছিল দূরদর্শনে! ভাবতে পারেন

পদ্মবিভূষণ থেকে দাদাসাহেব ফালকে— দীর্ঘ কেরিয়ারে সম্মানের কোনো খামতি ছিল না তাঁর ঝুলিতে। ২০টিরও বেশি ভাষায় গান রেকর্ড করে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও নাম তুলেছিলেন তিনি। ১৯৯৭ সালে গ্র্যামি মনোনয়ন পাওয়া এই শিল্পীর কন্ঠস্বর কয়েক প্রজন্মকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছে। তাঁর প্রয়াণে কেবল একটি কণ্ঠই স্তব্ধ হলো না, বরং ভারতীয় চলচ্চিত্রের একটি সোনালি অধ্যায়ের অবসান ঘটল।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন