২৪ ঘণ্টা কাটেনি। ফের ডোমকলে শাসকদলের বড় ধাক্কা। গতকালের পর শনিবার আরও একটি তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল নিল সিপিআইএম। শুধু দখলই নয়, ডোমকল পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রায় ৫০০ পরিবার একযোগে তৃণমূল ছেড়ে সিপিআইএমে যোগ দেন। আর তাতেই রাজনৈতিক সমীকরণে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ সক্কাল সক্কাল ED-র অ্যাকশন; নজরে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি
এদিন সন্ধ্যায় ভাতশালা এলাকায় পৌঁছান সিপিআইএম প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে রানা। তাঁকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন কর্মী-সমর্থকেরা। এরপরই তৃণমূল ছেড়ে সিপিএমে যোগদান করেন বহু পরিবার। তৃণমূলের পতাকা ছেড়ে হাতে নেন লাল ঝান্ডা। যোগদানের পরই মিষ্টিমুখ। আর তারপর ঝড়-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই শুরু হয় শক্তি প্রদর্শনের মিছিল ও জনসংযোগ। যোগদানকারীদের দাবি, দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও একাধিক অভিযোগেই তাঁরা শাসকদল ছেড়েছেন।
তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল নিয়ে সিপিএম প্রার্থী বলেন, “এটা দখল নয়। এরাই এই পার্টি অফিস চালাচ্ছিলেন। তৃণমূল ছেড়ে আমাদের সঙ্গে এসেছেন। মানুষ নিজেদের লড়াই লড়ছেন। ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের কোমর ভেঙে গেল।” তৃণমূলের প্রার্থী হুমায়ুন কবীরকে নিশানা করে তিনি বলেন, “তৃণমূলের প্রার্থী বহিরাগত। তৃণমূল এখানে কোন জায়গায় যাচ্ছে, তিনি বুঝতে পারবেন না। তবে ডোমকলের মানুষ বুঝবেন। এটা তো ছিল ট্রেলার। পিকচার আভি বাকি হ্যায়। প্রকৃতপক্ষে যাঁরা কর্মী, তাঁদের তৃণমূল মর্যাদা দেয় না।”
আরও পড়ুনঃ ‘পুলিশই উল্টো করে ঝুলিয়ে সোজা করবে’, কেষ্টকে সুকান্ত
প্রসঙ্গত, গতকাল তৃণমূল ছেড়ে সিপিএমে যোগ দেন অন্তত ৪০০ পরিবারের সদস্য। শুধু তাই নয়, সিপিএমের পতাকা ওড়ানো হয় ডোমকলের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের পার্টি অফিসে। তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতিও যোগ দেন সিপিএমে। কর্মীদের প্রশ্ন করা হলে তাঁরা বলছেন, ‘তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জবাব দিচ্ছি আমরা।’



