Saturday, 25 April, 2026
25 April
HomeকলকাতাElection 26: ভোটে জেতার জন্যে এখন কোথায় কোথায় টাকা ঢালা হচ্ছে? সস্তার...

Election 26: ভোটে জেতার জন্যে এখন কোথায় কোথায় টাকা ঢালা হচ্ছে? সস্তার রাজনীতি করতে গিয়ে আছোলা বাঁশ না হয়ে যায়!

দ্বিতীয় দফা বাকি আছে, এগুলো ভাবার খুব দরকার।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

১. টোটো, অটো, রিকশা চালকদের পাশাপাশি ক্যাব চালকদের কে টাকা দেওয়া হচ্ছে এটা বলার জন্যে যে হাওয়া বদলাচ্ছে। তাই চোখ কান বুঝে তাদেরকেই ভোট দিতে। কাদেরকে দিয়ে মূলত বলা হচ্ছে এগুলো? যারা অন্য রাজ্য থেকে এসে সেই কাজগুলো করছে। মানে বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা থেকে যারা এসে এখানে কাজ করে খাচ্ছে তাদেরকে ৫০০-১০০০ করে দেওয়া যাচ্ছে এই বলেই যে তোমরা ওই বার্তাটা পৌঁছে দাও। যেই তোমাদের যাত্রী হয়ে উঠবে, তাদের সাথে নিজের থেকেই কথোপকথন শুরু করে দাও। যারা এই টোটো, ক্যাব কিংবা অটো চড়ছো, তারা দেখবে যে ওঠার সাথে সাথেই তোমাদের সাথে ভোট নিয়ে আলোচনা করা শুরু করে দিচ্ছে।

২. ভারত ছেড়ে বাংলাদেশের কিছু পেজ কে। এমনও আমাদের কাছে প্রমাণ আছে যে কিছু পেজ যেগুলো পাকিস্তান থেকে চালিত, তারাও পশ্চিমবঙ্গের হাওয়া বদলাচ্ছে তাই অমুক দলকেই ভোট দাও বলে পোস্ট করছে।

ভাব একবার যে পাকিস্তান, বাংলাদেশের মতন পেজদের টাকা দেওয়া হচ্ছে এগুলো বলার জন্যে।

কথা হলো যে টাকা ঢালতে ঢালতে এতটা নিচে নেমে যেতে হবে যে সেই পেজ গুলো কোন দেশ থেকে চালিত সেটা না বুঝে শুনে টাকা দিয়ে দিচ্ছ? প্রতি পোস্ট শুরু হচ্ছে ১০০০-২০০০ টাকা দিয়ে। ভিডিও পোস্ট হলে ১০-১৫ হাজার টাকা করে দিচ্ছে ভালো ফলোয়ার আর এনগেজমেন্ট থাকলে। আর মারাত্মক ভালো হলে ১০ লক্ষ্য টাকা অবধি দিচ্ছে একটা গোটা ক্যাম্পেইন এর জন্যে।

আরও পড়ুনঃ ফের বঙ্গে মোদী! আগামীকাল উত্তর কলকাতায় শোভাবাজারের বিকে পাল অ্যাভিনিউ থেকে খান্না ক্রসিং হাই-ভোল্টেজ রোড শো প্রধানমন্ত্রীর

এবার তোমাদের প্রশ্ন যে আমরা জানলাম কিভাবে?

খেয়াল করে দেখো যে এই SIR প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই আমরা পোস্ট করেছিলাম যে কোন দলে ঠিক কী আলোচনা হয়, কী প্ল্যানিং, কোথায় কী হচ্ছে না হচ্ছে সমস্ত খবর উড়ে উড়ে চলে আসছে আমাদের কাছে। বিশেষ করে আইটি সেলগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে চলেছে, সেটা জেনে ফেলছি কান পাতলেই।

এবার আমাদের প্রশ্ন যে ভোট তো দেবে সাধারণ মানুষ না সোশ্যাল মিডিয়ার কর্মীরা?

যারা বারংবার বিভিন্ন পেজে গিয়ে কমেন্ট করে আর তাদের বিরুদ্ধে হলেই চটি চাটা বা মাকু বলে দাগিয়ে দেয়?

উত্তরটা সাধারণ মানুষ। এবার সেই সাধারণ মানুষের মন জয় করতে গেলে যদি সংঘঠন শক্ত না হয়, বুথে বুথে এজেন্ট সঠিক না থাকে, মানুষের চাহিদা গুলোই বুঝতে না পারে তাহলে এই ধরণের বিজ্ঞাপনই দিতে হবে।

হয়তো এগুলো গ্রামের দিকে একটু কাজ দেবে কিন্তু শহরের দিকে শিক্ষিত মানুষও জানে এবং তারা এখন নয়, বিগত ৩-৪ মাস আগে থেকেই স্থির করে রেখেছে কাকে তারা ভোট দেবে। তাহলে প্রশ্ন যে এতটা নিচে নামতে হচ্ছে কেন?

আরও পড়ুনঃ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, লড়াই হবে সেয়ানে-সেয়ানে; পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের চুলচেরা বিশ্লেষণ

আমাদের প্রশ্ন বিরোধী দলগুলোর কাছে যে সরকার পাল্টালে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসাবে কাকে রাখা হবে সেটা সামনে নিয়ে আসতে। কারণ বিহারের মতন ক্লাস ৮ ফেল একজন লোককে আমরা দেখলাম, দেশের মহামানব ক্লাস ৪ ফেল, এমনই যদি পশ্চিমবঙ্গে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের দাবি সে শুনবে? একটাও কথা তারা রাখবে?

দ্বিতীয় দফা বাকি আছে, এগুলো ভাবার খুব দরকার।

সস্তার রাজনীতি করতে গিয়ে আছোলা বাঁশ না হয়ে যায়, সেদিকটা নজর রাখা প্রয়োজন।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন