হায়দরাবাদ থেকে চেন্নাইগামী চারমিনার এক্সপ্রেসে রবিবার সকালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। ট্রেনের এস ৫ কোচে আগুন লেগে যাওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। লোকো পাইলটকে সতর্ক করতেই তিনি ট্রেনটিকে থামিয়ে দেন। আতঙ্কে অনেক যাত্রী ট্রেন থেকে রেললাইনে ঝাঁপ দেন বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের
আরও পড়ুনঃ হোয়াইট হাউস ডিনারের সময় পরপর গুলি, মাটিতে ফেলে রাখা সন্দেহভাজনের প্রথম ছবি প্রকাশ্যে
জানা গিয়েছে, তেলঙ্গানার যাদদ্রী ভুবনগিরি জেলার আলের স্টেশনের কাছে এই ঘটনাটি ঘটেছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ট্রেনটি আলের স্টেশনে ঢুকছিল। কিন্তু সেশনে ঢোকার কিছুটা আগেই আচমকা এস ৫ কোচ থেকে ধোঁয়া বার হতে দেখা যায়। আগুন-আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ট্রেনে। সঙ্গে সঙ্গে বেশ কিছু যাত্রী চলন্ত ট্রেন থেকেই ঝাঁপ দেন। ট্রেনের গতি কম থাকায় কেউ আহত হননি। ট্রেনটিকে সঙ্গে সঙ্গে থামিয়ে ওই কামরা থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। তত ক্ষণে ধোঁয়ায় ভরে উঠেছিল কামরা। মুহূর্তের মধ্যে সেটি পুরো আগুনের গ্রাসে চলে যায়।
আরও পড়ুনঃ ভাঙড়ে NIA-র তালিকায় থাকা TMC নেতাকে গণধোলাই
এক যাত্রীর দাবি, পোড়া পোড়া গন্ধ পাচ্ছিলেন তাঁরা। কিন্তু প্রথমে কিছু বুঝে উঠতে পারেননি। তার পর কামরার ভিতরে ধোঁয়ায় ভরে যায়। তখনই যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। চিৎকার আর কান্নাকাটিতে ভরে ওঠে কামরা। ট্রেনটি তখন স্টেশনের কাছাকাছি ছিল। অনেকেই দরজা দিয়ে লাফ মারেন। ট্রেনটিকে থামিয়ে বাকি যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। তাঁর দাবি, ট্রেনটি যদি মাঝপথে এ রকম ঘটনার মুখে পড়ত, তা হলে প্রাণহানি হতে পারত। তবে এ যাত্রায় বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। রেলের আধিকারিক, ইঞ্জিনিয়ার এবং উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। দমকলও আসে। বেশ কিছু ক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কী ভাবে আগুন, তা খতিয়ে দেখছে রেল।



