Saturday, 13 June, 2026
13 June
HomeদেশDivorce: বিবাহবিচ্ছেদের কাগজ ছিঁড়ে আদালতেই জড়িয়ে ধরলেন স্বামীকে! ভাইরাল শিখা-সৌরভ

Divorce: বিবাহবিচ্ছেদের কাগজ ছিঁড়ে আদালতেই জড়িয়ে ধরলেন স্বামীকে! ভাইরাল শিখা-সৌরভ

আদালতের মধ্যেই বিবাহবিচ্ছেদের কাগজ ছিঁড়ে ফেলেন। এরপর সৌরভের কাছে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন। উপস্থিত অনেকেই সেই দৃশ্যের সাক্ষী ছিলেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

দীর্ঘ আইনি লড়াই, ভাঙনের মুখে দাঁড়ানো এক সম্পর্ক, আর এক মানবিক সিদ্ধান্ত। ভাইরাল হওয়া এক ঘটনায় দাবি করা হয়েছে, শ্বশুরের অসুস্থতার সময় পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সৌরভ। এরপর আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের শুনানির দিন ঘটে যায় এমন এক মুহূর্ত, যা আবেগে ভাসিয়েছে অসংখ্য মানুষকে।

বিবাহবিচ্ছেদের কাগজ ছিঁড়ে আদালতেই জড়িয়ে ধরলেন স্বামীকে! ভাইরাল শিখা-সৌরভের গল্প

ভালোবাসা, স্বপ্ন আর নতুন জীবনের আশা নিয়ে ২০২০ সালে সংসার শুরু করেছিলেন শিখা ও সৌরভ। বহু দম্পতির মতো তাঁরাও ভেবেছিলেন, একসঙ্গে কাটবে ভবিষ্যতের প্রতিটি পথচলা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কে বাড়তে থাকে ভুল বোঝাবুঝি, তর্ক-বিতর্ক এবং দূরত্ব। একসময় সেই টানাপোড়েন এমন জায়গায় পৌঁছয় যে বিবাহবিচ্ছেদই যেন একমাত্র পথ বলে মনে হতে থাকে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শিখা সৌরভের বিরুদ্ধে পণ-সংক্রান্ত নির্যাতনের অভিযোগও দায়ের করেছিলেন। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ আইনি লড়াই, যা বছরের পর বছর ধরে দুই পরিবারকেই মানসিক ও আর্থিক চাপে ফেলে।

আরও পড়ুনঃ জোরহাটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! ল্যান্ডিংয়ের পর পুড়ে ছাই বায়ুসেনার বিমান

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মামলার খরচ এবং মেয়ের পাশে দাঁড়ানোর জন্য শিখার বাবা নিজের সঞ্চয়ের বড় অংশ ব্যয় করেছিলেন। আদালতে যাতায়াত, নথিপত্রের খরচ এবং দীর্ঘ অনিশ্চয়তার চাপ ধীরে ধীরে তাঁর শারীরিক অবস্থার উপরেও প্রভাব ফেলতে শুরু করে। সেই সময়েই আচমকা তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। তাঁকে দ্রুত একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দাবি করা হয়, এই খবর পাওয়ার পর সৌরভ এমন একটি সিদ্ধান্ত নেন, যা পরবর্তীতে পুরো ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

যে পরিবারের সঙ্গে তাঁর আদালতে লড়াই চলছিল, সেই পরিবারের প্রবীণ সদস্যের অসুস্থতার খবর শুনে সৌরভ নাকি হাসপাতালে ছুটে যান। বিভিন্ন ভাইরাল বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি নিজেই উদ্যোগ নিয়ে শিখার বাবাকে গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতালে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করেন। শুধু তাই নয়, চিকিৎসার দায়িত্ব এবং প্রয়োজনীয় খরচের বড় অংশও তিনি বহন করেন বলে দাবি করা হয়েছে। সেই মুহূর্তে ব্যক্তিগত বিরোধ বা আদালতের মামলা নয়, একজন অসুস্থ মানুষের জীবনকেই তিনি অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ হার্টের অসুখের ঝুঁকি কমায়, কমিয়ে দেয় ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকিও; আয়ু বাড়িয়ে দিতে পারে কফি

সময়ের সঙ্গে চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন শিখার বাবা। এরপর নির্ধারিত দিনে ফের আদালতে হাজির হন দুই পক্ষ। সেদিনের শুনানিতেই শেষ হওয়ার কথা ছিল তাঁদের বৈবাহিক সম্পর্কের আইনি অধ্যায়। শিখা আদালতে পৌঁছেছিলেন বিবাহবিচ্ছেদের নথি নিয়ে। কিন্তু সেখানে সৌরভকে দেখে এবং সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর কথা মনে করে তাঁর মনোভাব বদলে যায় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি আদালতের মধ্যেই বিবাহবিচ্ছেদের কাগজ ছিঁড়ে ফেলেন। এরপর সৌরভের কাছে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন। উপস্থিত অনেকেই সেই দৃশ্যের সাক্ষী ছিলেন। পরে সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের নজর কেড়ে নেয়।

ভাইরাল হওয়া ভিডিও এবং একাধিক প্রতিবেদনে শিখা-সৌরভের এই পুনর্মিলনের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ঘটনাটির ভিডিও প্রকাশ্যে এলেও প্রচারিত বর্ণনার প্রতিটি দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে যে তথ্যগুলি প্রচারিত হয়েছে, এই প্রতিবেদন সেই তথ্যের ভিত্তিতেই প্রস্তুত করা হয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন