বাংলায় ভোটের ফল ঘোষণার পরদিনই বড় পদক্ষেপ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)-র। কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে লুক আউট সার্কুলার নোটিস জারি করল ইডি। ব্যবসায়ী সোনা পাপ্পুর মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছিল কলকাতা পুলিশের উচপদস্থ এই কর্তাকে। কিন্তু, তিনি হাজিরা দেননি। তাঁর কোনও খোঁজও পাওয়া যায়নি। তারপরই মঙ্গলবার (৫ মে) শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করল ইডি।
স্থল, জল, বন্দর ও সব বিমানবন্দরে তাঁর নাম ছবি সহ কী কী অভিযোগ রয়েছে, তা সবিস্তারে জানিয়ে এই লোকাল সার্কুলার নোটিস করেছে ইডি। কোনও জায়গা থেকে পালানোর চেষ্টা করলেই আটক করে ED-কে খবর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে লুক আউট নোটিসে।
আরও পড়ুনঃ বদলাচ্ছে বাংলা, বদলে গেল ‘হীরক রানী’র হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট
বালিগঞ্জের বাসিন্দা ব্যবসায়ী সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে জমি দখল, তোলাবাজি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অস্ত্র আইনেও মামলা রয়েছে সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে। একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করছে ইডি। ওই মামলাতে জয় কামদার নামে বেহালার এক ব্যবসায়ীকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা গ্রেফতার করেছে। সোনা পাপ্পুর সঙ্গে আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখতেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু, কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনু হাজিরা দেননি। তাঁর কোনও খোঁজও পাওয়া যায়নি। তারপরই এদিন লুক আউট নোটিস জারি করল ইডি। এখন দেখার, এই লুক আউট নোটিসের পর কলকাতা পুলিশের পদস্থ এই কর্তা ধরা পড়েন কি না।
আরও পড়ুনঃ ‘বাংলায় মাদ্রাসা থেকে এপাং ওপাং ঝপাং বন্ধ হবে!’
সোনা পাপ্পুর সঙ্গে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতা ছবি সামনে এসেছে। বর্তমানে সোনা পাপ্পুর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এই আবহে তৃণমূল সরকারের পতনের পরদিনই কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনুর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে।


