Thursday, 14 May, 2026
14 May
HomeকলকাতাKolkata: ‘জ়িরো টলারেন্স’; বুলডোজ়ার চলল কলকাতায়, অবৈধ ভবন ভাঙছে রাজ্য সরকার

Kolkata: ‘জ়িরো টলারেন্স’; বুলডোজ়ার চলল কলকাতায়, অবৈধ ভবন ভাঙছে রাজ্য সরকার

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই কারখানার সামনে পৌঁছে যায় জেসিবি। সমগ্র বহুতলটি ভেঙে ফেলার কাজ চলছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিলজলায় ভয়াবহ আগুনে দু’জনের মৃত্যুর ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অবৈধ ভবন ভাঙার অভিযান শুরু করেছে রাজ্য সরকার। বুধবার বিকেল থেকে ঘটনাস্থলে বুলডোজার নামিয়ে অভিযান চালানো হচ্ছে।

গতকাল মঙ্গলবার তিলজলার একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ আগুন লাগে। আগুনে দু’জনের মৃত্যু হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ভবনটি সম্পূর্ণ অবৈধ। কলকাতা পুরসভার নথিতে এই ভবনের কোনো অস্তিত্বই ছিল না। অথচ সেখানে বাণিজ্যিক কার্যকলাপ চলছিল।

আরও পড়ুনঃ কলকাতার অবৈধ বিল্ডিংয়ের জল ও বিদ্যুৎ কেটে দিতে হবে, বিরাট নির্দেশ শুভেন্দুর

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনার পর কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “এটি প্রথম এবং শেষ ঘটনা হিসেবে ধরে নিন।” রাজ্য সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। অবৈধ নির্মাণ চিহ্নিত করে দ্রুত ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ বিকেল থেকে তিলজলায় আগুন লাগা অবৈধ ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। কলকাতা পুলিশ ও কেএমসি-র সহায়তায় পুর ও নগরোন্নয়ন বিভাগ এই অভিযান চালাচ্ছে। ভবনটির মালিকদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পশুবলিতে কড়া লাগাম সরকারের, শংসাপত্র ছাড়া বলি নিষিদ্ধ

রাজ্যজুড়ে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযান

সরকার জানিয়েছে, শুধু তিলজলা নয়, কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় কসবা, ইকবালপুর, মোমিনপুরসহ অন্যান্য জায়গায়ও অবৈধ নির্মাণ চিহ্নিত করে ভাঙার কাজ শুরু হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ করা হচ্ছে এ ধরনের ভবনে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “যারা সতর্ক হতে চান, এখনই সতর্ক হয়ে যান। অবৈধ নির্মাণ আর চলবে না।”

নাগরিকদের প্রতিক্রিয়া

তিলজলা ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন। অনেকে বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ভবন ও কারখানার কারণে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছিল এবং জীবনের ঝুঁকি বেড়েছিল। সরকারের এই পদক্ষেপে তাঁরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন