রাজ্যে ভেঙেছে দল। দলের মধ্যেই একঘরে এককালের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার লোকসভার দলনেতা হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ সময়ের অপেক্ষা। খবর তৃণমূল সূত্রে। নজরে তৃণমূলের সংসদীয় টিম। সূত্রের খবর, দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন না একাধিক সাংসদ।
আরও পড়ুনঃ সাত সকালে শওকতের বাড়িতে NIA হানা; তুলে নিয়ে গেল ছেলেকে
এদিকে সংসদে তৃণমূলের ভাঙন নিশ্চিত করতে ডিলিমিটেশন বিল খোলনলচে বদলে ফের নিয়ে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। জেপিসির বিবেচনাধীন এক দেশ এক নির্বাচন সংক্রান্ত বিলও দ্রুত নিয়ে আসার তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর। এই আবহে দিল্লির রাজনীতিতে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ কী দাঁড়ায় এখন সেটাই দেখার।
অন্যদিকে বিধানসভায় দলের ভাঙন এবং লোগোর অধিকার নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে এবার আইনি পরামর্শ নিতে শুরু করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পন্থী তৃণমূল। সূত্রের খবর, নজরে রাখা হয়েছে স্পিকারের ভূমিকা। সময়মতো সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবে পুরোনো তৃণমূল। ৮ তারিখ দিল্লিতে ইন্ডিয়া ব্লকের বৈঠকে যোগ দেবেন তৃণমূলনেত্রী। সেই সময় শীর্ষ আইনজীবীদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলবেন বলে সূত্রের খবর। এক্ষেত্রে মহারাষ্ট্রে শিবসেনা এবং এনসিপির লোগো এবং নেতৃত্বের সংঘাতের মামলা নির্ণায়ক ভূমিকা নেবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।
আরও পরনঃ টলিউডের ‘ডিগবাজি’র চেনা ছক; কারুকার্য শেষ, এবার দিদির পাশ থেকে ‘উধাও’ ‘সুবিধাবাদী’ সেলেবরা
বিধানসভায় ইতিমধ্যেই ৫৮ জন বিধায়কের গ্রিন সিগন্যাল নিয়ে বিরোধী দলনেতার আসনে বসেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। চেয়ারে বসেই তোপের পর তোপ দেগেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেকের বিরুদ্ধে। এই আবহে লোকসভায় দল ভাঙার নেতৃত্বে কে? তুঙ্গে উঠেছে জল্পনা। শোনা যাচ্ছে নজরে রয়েছেন বিদ্রোহী সাংসদ কাকলী ঘোষ দস্তিদার। রাজ্যসভাতেও ইতিমধ্যেই বেসুরে সুখেন্দুশেখর রায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্নায় যোগ দিয়েছেন মাত্র ছয় জন। অভিষেক বাদে অনুপস্থিতদের ঘিরেও চর্চা চলছে পুরোদমে।



