Friday, 12 June, 2026
12 June
Homeউত্তরবঙ্গMahua Moitra: তৃণমূল ছাড়তে পারেন মহুয়া? জল্পনা বাড়ালেন বাসুনিয়া

Mahua Moitra: তৃণমূল ছাড়তে পারেন মহুয়া? জল্পনা বাড়ালেন বাসুনিয়া

জল্পনা বাড়ালেন বাসুনিয়া। 'রাজনীতিতে কিছুই অসম্ভব নয়', মহুয়ার নাম উঠতেই জল্পনা উসকে দিলেন কোচবিহারের সাংসদ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

মহুয়া কি ‘মমতার তৃণমূল’ ছাড়তে পারেন? ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য জগদীশ বর্মা বাসুনিয়ার। বর্তমানে বিদ্রোহী TMC-র অন্যতম মুখ কোচবিহারের সাংসদ। তাঁর দাবি, রাজনীতিতে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তৃণমূলের সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, দলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রায় নেই বললেই চলে। সমস্ত সিদ্ধান্ত একটি জায়গা থেকেই নেওয়া হয়। আর সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে দাবি বাসুনিয়ার।  

আরও পড়ুনঃ  রাজ্যের লাইব্রেরি থেকে সরছে ‘এপাং ওপাং ঝপাং’

অভিষেককে নিশানা বাসুনিয়ার
বিদ্রোহী সাংসদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরেই দলের ভিতরে ক্ষোভ জমছিল। সময়ের সঙ্গে সেই অসন্তোষ আরও বেড়েছে। তিনি সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেন। বলেন, দলের বর্তমান পরিস্থিতির পিছনে নেতৃত্বের সিদ্ধান্তই মূল কারণ।

বাসুনিয়ার দাবি, তৃণমূলের বহু প্রবীণ নেতাও এই পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তুষ্ট। বীরভূমের নেতা অনুব্রত মণ্ডলও অতীতে সাক্ষাৎকারে একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন বলে দাবি করেন।

প্রবীণ নেতাদের কোনও গুরুত্বই নেই
দলের প্রার্থী বাছাই নিয়েও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কোচবিহারের সাংসদ। তাঁর অভিযোগ, প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্থানীয় বা প্রবীণ নেতাদের মতামত নেওয়া হয় না।

বাসুনিয়ার কথায়, তিনি নিজে সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও কোচবিহারের বিভিন্ন আসনে কারা প্রার্থী হচ্ছেন, তা আগাম জানতেন না। প্রার্থীদের নাম ঘোষণার দিনই তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। তাঁর দাবি, সেই প্রার্থীরা যে জিততে পারবেন না, আগে থেকেই তা আন্দাজ করতে পেরেছিলেন।

আরও পড়ুনঃ বড় ক্লাবগুলোর পুজো অনুদান এবার থেকে বন্ধ; যাদের দরকার এবার থেকে তারাই পাবে অনুদান; স্পষ্ট জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

জমানো ক্ষোভ
২০১৯ সালের একটি ঘটনার উল্লেখ করেন বাসুনিয়া। বলেন, সে সময় তিনি বিধায়ক ছিলেন। এলাকায় হিংসার কারণে তাঁকে প্রায় তিন মাস বাড়ির বাইরে থাকতে হয়েছিল। কিন্তু তখন রাজ্যে নিজেদের সরকার থাকা সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে কোনও সাহায্য পাননি। এমনই অভিযোগ তাঁর।

মহুয়া মৈত্রকে নিয়ে জল্পনা
বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে কি মহুয়া মৈত্র যোগ দিতে পারেন? সরাসরি হ্যাঁ-না বলেননি বাসুনিয়া। তবে সম্ভাবনা উড়িয়েও দেননি। বলেন, ‘রাজনীতিতে কিছুই অসম্ভব নয়’।

তাঁর বক্তব্য, অতীতে মহুয়া মৈত্র মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করেছিলেন। ভবিষ্যতে কে কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা আগে থেকে বলা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন বাসুনিয়া।

 

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন