দিল্লি পুলিশের ছাত্র-যুবকদের ওপর চালানো নির্মম লাঠিচার্জ ও হিংসার ছবি-ভিডিওগুলি মানুষের সামনে তুলে ধরার দায়িত্ব নিতে হবে আন্দোলনরত ছাত্র-যুবকদের, বলেছেন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। বুধবার সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারে অনুষ্ঠিত যুব জনসভায় তিনি দাবি করেন, আদালত ভিডিও দেখার সময় না থাকলেও সাধারণ মানুষের কাছে সেসব ছবি পৌঁছানো দরকার।
আরও পড়ুনঃ আরশোলার দৌরাত্বে এত আগ্রহ শাবানার! ফাঁস ডিপ স্টেটের টাকা পাওয়া অভিনেত্রীর চক্রান্ত!
২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টির ‘সংসদ চলো’ অভিযানের সময় পুলিশ ও বজরঙ দলের গুন্ডাবাহিনীর সহিংসতায় ছাত্র-যুবকদের ওপর লাঠিপেটা হয়। পুলিশ নিরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে ছিল। সেলিম বলেন, “দিল্লি পুলিশ দাঙ্গাবাজদের জন্য অস্ত্র ব্যবহার করে, আর আন্দোলনরত ছাত্র-যুবকদের বিরুদ্ধে।”
তাঁর মতে, ১৫ বছর ধরে তৃণমূল পুলিশ দমনমূলক কাজ করেছে, এবার বিজেপির পুলিশ আরও ভয়ঙ্করভাবে আন্দোলন দমন করছে। এই চরিত্র তুলে ধরাই এখন প্রয়োজন।
ডিওয়াইএফআই-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত জনসভায় কলকাতা জেলা সভাপতি সোহম মুখার্জি, রাজ্য সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি সাহা, সভাপতি অয়নাংশু সরকার ও জেলা সম্পাদক শ্রীজীব গোস্বামী বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুনঃ আরশোলাদের নতুন কীর্তি, মার্কিন দূতাবাস আগেই জানতো রাজধানী উত্তাল হবে ১৭ তেই
সেলিম অভিযোগ করেন, রাজ্যের পৌর ও পঞ্চায়েত ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, ফলে কর্মসংস্থান ও নিয়োগ বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের জননিরাপত্তা আইনকে সমালোচনা করে বলেন, এই আইন স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বন্দি করার ব্রিটিশ আইন থেকে অনুপ্রাণিত, যা আজকের সরকারের মাধ্যমে প্রতিবাদীদের দমন করতে ব্যবহার হচ্ছে।
তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ‘দালাল’ ও বড় কোম্পানির এজেন্ট হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং বলেন, লড়াইয়ের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। একত্র না হলে দিল্লির আন্দোলন সফল হতো না। তাই ঐক্যের প্রতি জোর দেন।
সেলিমের বক্তব্যে রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এবং আন্দোলনের প্রতি তাদের দৃঢ় সমর্থন প্রকাশ পেয়েছে।


