Tuesday, 28 July, 2026
28 July
Homeআন্তর্জাতিক নিউজPOK: মীরপুরে বিক্ষোভকারীদের ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নির্বিচার গুলি

POK: মীরপুরে বিক্ষোভকারীদের ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নির্বিচার গুলি

তথ্য যাতে বাইরে প্রকাশ না পায়, সে জন্য গোটা এলাকায় ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করে রাখা হয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পাক-অধ্যুষিত জম্মু-কাশ্মীরের (POJK) মীরপুরে সাধারণ ও নিরীহ নাগরিকদের ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বর্বরোচিত গুলিবর্ষণের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিলে নিরাপত্তা বাহিনী সরাসরি গুলি চালানোয় অন্তত ১২ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ বিষণ্ণ মুখে পর্যটকরা! দিঘায় জারি নিষেধাজ্ঞা

ঘটনার বিবরণ: দীর্ঘদিন ধরে পিওজেকে-র বাসিন্দারা চরম অর্থনৈতিক সংকট, খাদ্যাভাব, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকার প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় মীরপুরসহ একাধিক এলাকায় প্রতিবাদকারীরা প্ল্যাকার্ড হাতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। অভিযোগ, মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে জেনারেল আসিম মুনিরের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনী প্রথমে টিয়ার গ্যাসের শেল ছোড়ে এবং পরবর্তীতে সরাসরি গুলি চালাতে শুরু করে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, গুলির শব্দ শুরু হতেই সাধারণ মানুষ প্রাণভয়ে ছোটাছুটি শুরু করেন এবং রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। আহতদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ জারি হল সুনামির সতর্কতা; ভূমিকম্পে কাঁপছে জাপান

বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য ও কঠোর সেন্সরশিপ: এক কান্নাজড়িত প্রত্যক্ষদর্শী জানান, “আমরা কেবল খাবার, বিদ্যুৎ ও উন্নত রাস্তার মতো মৌলিক দাবিগুলো চেয়েছিলাম। কিন্তু তার বিনিময়ে আমাদের ওপর গুলি চালানো হলো।”

স্থানীয় মানবাধিকার কর্মীদের অভিযোগ, জেনারেল আসিম মুনিরের নির্দেশেই এই কণ্ঠরোধ করার চক্রান্ত ও দমনমূলক অভিযান চালানো হচ্ছে। তথ্য যাতে বাইরে প্রকাশ না পায়, সে জন্য গোটা এলাকায় ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করে রাখা হয়েছে। তা সত্ত্বেও ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবি দেখে বিশ্ব জুড়ে চরম নিন্দার ঝড় উঠেছে। তবে এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন