কৌশিকী অমাবস্যার উৎসব ও দর্শনার্থীদের সমাগম মেটার পর এবার বীরভূমের তারাপীঠ মন্দিরে শুরু হতে চলেছে বহুল প্রতীক্ষিত সংস্কার ও সৌন্দর্যায়ন প্রকল্প। এই কাজের জন্য সাময়িকভাবে মূল গর্ভগৃহ ছেড়ে মন্দির চত্বরেই অবস্থিত শিবমন্দিরে অধিষ্ঠান করবেন মা তারা।
আরও পড়ুনঃ ৬০০ স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠাবে JIO! স্যাটেলাইট ইন্টারনেটে রিলায়েন্স জিও-র বড় পদক্ষেপ
মন্দির কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার পর সম্পূর্ণ ধর্মীয় আচার মেনে বিগ্রহকে শিবমন্দিরে নিয়ে যাওয়া হবে। সংস্কার চলাকালীন আগামী প্রায় এক মাস এই শিবমন্দির থেকেই দেবীর নিত্যপূজা, আরতি, ভোগ নিবেদন এবং ভক্তদের জন্য দর্শনের ব্যবস্থা রাখা হবে।
বিগ্রহ স্থানান্তর ও সংস্কারের মূল কারণ
কৌশিকী অমাবস্যার পর শনি ও রবিবার ছুটির দিনে ভক্তদের কথা মাথায় রেখেই ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে স্থানান্তরের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্দির সংস্কারের প্রধান দিকগুলি নিচে তুলে ধরা হলো:
| বিষয় ও ক্ষেত্র | বর্তমান সমস্যা / পরিকল্পনা | প্রস্তাবিত পরিবর্তন ও সুবিধা |
| মূল বেদির উচ্চতা | বেদি নিচু থাকায় দর্শনে সমস্যা হতো। | দেবীর মূল বেদি প্রায় ৮ ইঞ্চি উঁচু করা হবে। |
| প্রবেশদ্বার সংস্কার | নাটমন্দির থেকে দেবীর প্রতিমা স্পষ্ট দেখা যেত না। | মন্দিরের সামনের মূল দরজা প্রায় ১ ফুট উঁচু করা হবে। |
| পরিকাঠামো উন্নয়ন | গর্ভগৃহ ও বহিরাংশের পুরানো পরিকাঠামো। | বিশেষজ্ঞ প্রযুক্তিবিদদের পরামর্শে ভেতর ও বাইরের সামগ্রিক সংস্কার হবে। |
আরও পড়ুনঃ উত্তরপ্রদেশে বেহাল জিও নেটওয়ার্ক; ফতেহপুরে টাওয়ার কর্মীকে আটকে রেখে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের
মন্দির কমিটির বক্তব্য
তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী কৌশিকী অমাবস্যার পর্ব মিটতেই কাজ শুরু করা হচ্ছে। প্রযুক্তিবিদদের কারিগরি নির্দেশনা ও পরামর্শ মেনেই মন্দির প্রাঙ্গণের যাবতীয় সংস্কারের কাজ এগোবে, যাতে ভবিষ্যতে পুণ্যার্থীদের দর্শন ব্যবস্থা আরও সুবিধাজনক ও সুশৃঙ্খল করা যায়।


