Wednesday, 8 July, 2026
8 July
Homeদক্ষিণবঙ্গMurshidabad: সুজনীপাড়া রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় পুলিশের মাঝরাতের রুদ্ধশ্বাস মেগা অপারেশন; বড়সড়...

Murshidabad: সুজনীপাড়া রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় পুলিশের মাঝরাতের রুদ্ধশ্বাস মেগা অপারেশন; বড়সড় অপরাধের ছক বানচাল

ব্যস্ত স্টেশন চত্বরে মধ্যরাতে এভাবে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গোটা এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

মুর্শিদাবাদে ফের বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্রের রমরমা। তবে পুলিশের অতি সক্রিয়তায় বড়সড় অপরাধ ঘটার আগেই বানচাল হয়ে গেল দুষ্কৃতীদের ছক। সোমবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সুতি থানার পুলিশ সুজনীপাড়া রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এক রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালায়। সেখান থেকেই হাতেনাতে আগ্নেয়াস্ত্র, তাজা গুলি এবং একটি বাইকসহ দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। ব্যস্ত স্টেশন চত্বরে মধ্যরাতে এভাবে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গোটা এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুনঃ তোলাবাজ, চোর পুরপ্রধান উত্তম কুন্ডু সহ কাউন্সিলররা পলাতক; ভেঙে গেল তারকেশ্বর পুরবোর্ড

জঙ্গিপুর পুলিশ জেলা সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম আব্দুল কাদীর ও রামিজ সেখ। আব্দুল কাদীরের বাড়ি সামশেরগঞ্জের নতুন জালাদিপুর এলাকায় এবং রামিজ সেখের বাড়ি সুতি থানার হরিপুরে। সোমবার রাতে পুলিশের কাছে গোপন মারফত খবর আসে যে, সুজনীপাড়া রেল স্টেশন সংলগ্ন একটি নির্জন এলাকায় কয়েকজন দুষ্কৃতী সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করছে এবং তাদের কাছে মারাত্মক আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই আর দেরি না করে সুতি থানার ওসির নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল সাদা পোশাকে ওই এলাকায় হানা দেয়। স্টেশন চত্বরের একটি অন্ধকার কোণে ওত পেতে বসে থাকেন তদন্তকারীরা।

রাত বাড়ার সাথে সাথে একটি মোটরবাইকে করে আব্দুল ও রামিজকে সুজনীপাড়া স্টেশনের দিকে আসতে দেখেন পুলিশ আধিকারিকরা। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় বাইকটির পথ আটকায় পুলিশ। আচমকা পুলিশ দেখে পালানোর চেষ্টা করলেও ততক্ষণে চারপাশ থেকে ঘেরাও করে ফেলা হয় দুই সন্দেহভাজনকে।

এরপর ঘটনাস্থলেই তাদের দেহ এবং বাইকে তল্লাশি চালানো হলে উদ্ধার হয় একটি দেশি পিস্তল (ওয়ান শটার) এবং এক রাউন্ড তাজা কার্তুজ। আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কোনো বৈধ নথিপত্র দেখাতে না পারায় তৎক্ষণাৎ ওই আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও বাইকটি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।

আরও পড়ুনঃ ১৫০ কোটি ‘পাচার’ তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকে! ইডির নজর তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে

তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, কোনো বড়সড় ডাকাতি বা রাজনৈতিক হিংসা ছড়ানোর উদ্দেশ্যে নয়, বরং মুর্শিদাবাদের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে অন্য কোথাও এই আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের উদ্দেশ্যেই তারা সেখানে জড়ো হয়েছিল। তবে এই চক্রের শিকড় কতদূর বিস্তৃত, তা জানতে ধৃতদের সুতি থানায় রেখে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই আগ্নেয়াস্ত্র তারা স্থানীয় কোনো কারখানায় তৈরি করিয়েছে নাকি মুঙ্গের বা ভিন রাজ্য থেকে নিয়ে এসেছে, তা জানার চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ধৃত আব্দুল কাদীর ও রামিজ সেখকে জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়েছে। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে চক্রের মূল পান্ডাদের হদিশ পেতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে সুতি থানার পুলিশ।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন