Tuesday, 7 July, 2026
7 July
Homeদক্ষিণবঙ্গSebashray: লুঠে নেওয়া হত গরিবদের! ভয়ঙ্কর অভিযোগ অভিষেকের নামে

Sebashray: লুঠে নেওয়া হত গরিবদের! ভয়ঙ্কর অভিযোগ অভিষেকের নামে

সেবাশ্রয়ে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধও রোগীদের দিয়ে দেওয়া হত।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

একটার পর একটা মামলার ফাঁসে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেবাশ্রয় নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। জোড়া এফআইআরের পর সেবাশ্রয় নিয়ে নতুন অভিযোগ দায়ের করলেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ববি। সোমবার সন্ধ্যায় পারুলিয়া কোস্টাল থানায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সহযোগী সুমিত রায় সহ তৎকালীন জেলাশাসক, স্বাস্থ্যকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেন ববি।

আরও পড়ুনঃ বারুইপুর ঘটনার মাঝেই ফের এক নাবালিকার শ্লীলতাহানি!

ববির মূল অভিযোগ, গত ১০ জুন সরিষার হিঞ্চাবেড়িয়া এলাকা থেকে মাটি খুঁড়ে প্রচুর ওষুধ উদ্ধার করেন বিজেপি কর্মী- সমর্থকরা। পারুলিয়া থানার পুলিশ উদ্ধার ওষুধের নমুনা সংগ্রহ করলেও কোন মামলা রুজু করেনি। ববির দায়ের অভিযোগ, সেবাশ্রয় প্রকল্পে ওষুধ নিয়েও কোটি কোটি টাকার অনিয়ম হয়েছে। এই ওষুধ উদ্ধারের তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য সামনে আসবে।

নির্বাচনের পরই ডায়মন্ড হারবারের সরিষা ও হিঞ্চাবেড়িয়া এলাকায় ‘সেবাশ্রয়’এর ওষুধ মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়। তবে কেন এত কোটি কোটি টাকার ওষুধ মাটিতে পুঁতে দেওয়া হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ ওষুধ ঘিরে ঘনীভূত হতে থাকে রহস্য।

আরও পড়ুনঃ আর রেহাই নেই দোষীদের! আজ বারুইপুর যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

ববির মূল অভিযোগ উঠছে ওষুধ পাচারের। সরকারি ও জনকল্যাণমূলক চিকিৎসা শিবিরের নাম করে খোলা বাজার থেকে এই বিপুল পরিমাণ ওষুধ কেনা হয়েছিল কি না, এবং এর পেছনে কোনও বড়সড় আর্থিক বেনিয়ম রয়েছে কি না— তা খতিয়ে দেখতে ইতিপূর্বেই পুলিশের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।  ববির প্রশ্ন, “পাচারের উদ্দেশ্যেই কি এই জীবনদায়ী ওষুধগুলো মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল?”

ববির বক্তব্য, “কার এই ব্যক্তি, যারা ওষুধগুলো মাটি চাপা দিয়ে রেখেছিল, সেটাও খুঁজে বার করতে হবে। সেবাশ্রয়ের লোকও ছিল। যেই সরকারি পরিবর্তন হল, কী এমন অবস্থা হল যে কোটি কোটি টাকার ওষুধ চাপা দিতে হল? ওষুধ উদ্ধারের পর দেখা যায়, বেশ কিছু ওষুধের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে, কিছুরই হয়নি। তার মানে সেবাশ্রয়ে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধও রোগীদের দিয়ে দেওয়া হত। দেখা যাচ্ছে, এমন কিছু ওষুধ যেটা মার্কেটে দাম রয়েছে ১০ টাকা, সেটার MRP রয়েছে ১২০ টাকা। কোম্পানিগুলোও লোকাল। গরিবদের লুঠে নেওয়া হত।”

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন