Saturday, 18 July, 2026
18 July
Homeদক্ষিণবঙ্গAmtala: আমতলায় ভাইপোর কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযান শুরু

Amtala: আমতলায় ভাইপোর কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযান শুরু

প্রশাসনের আধিকারিকরা শনিবার সকালে কার্যালয়ে পৌঁছে ভাঙার কাজ শুরু করেন। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে পুলিশ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

শনিবার সকালে ডায়মন্ড হারবারের আমতলায় অবস্থিত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ের নীল রঙের শেডটি বুলডোজারের সাহায্যে ভেঙে ফেলা হয়েছে। অভিযানে অংশ নিয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী, কেন্দ্রীয় বাহিনী, দমকলকর্মী, বিডিও এবং বিএলআরও।

আরও পড়ুনঃ জলপাইগুড়ি পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে পরিষেবা নিয়ে বিক্ষোভ, পাল্টা দাবি ও অভিযোগ

অভিযোগ রয়েছে, পাঁচতলা ওই ভবনটি অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানা গেছে, এই অভিযোগের ভিত্তিতে আগেই সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। গত ৩০ জুন দক্ষিণ ২৪ পরগনা প্রশাসন তিন জন—অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়, মতি মল্লিক এবং সুশান্ত মণ্ডলকে ১৫ জুলাই দুপুর ২টায় সংশ্লিষ্ট দফতরে হাজির হতে ডাকা হয়েছিল। নোটিসে বলা হয়েছিল, সুশান্তের অভিযোগের ভিত্তিতে সকলকে তলব করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় নথি-প্রমাণ সঙ্গে নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে কার্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কেউ হাজির হয়নি। এরপরই শনিবার সকালে প্রশাসন সক্রিয় হয়ে অভিযান চালায়।

সামনে বড় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী কার্যালয় ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা জোরদার করে। প্রশাসনিক ও দমকল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বুলডোজারের সাহায্যে শেডটি ভেঙে ফেলা হয়। প্রশাসন জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তবে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।

আরও পড়ুনঃ শিলাজিৎ, হিমালয়ের কঠিন সংগ্রামের এক জীবন্ত গল্প

গত ২৪ মে ইএম বাইপাসের মাঠপুকুর এলাকায় তৃণমূলের একটি দলীয় কার্যালয় বুলডোজারের মাধ্যমে ভেঙে ফেলা হয়েছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০১১ সালের রাজ্য পালাবদলের পর একটি বাড়ির সামনের অংশ দখল করে প্রথমে ‘মাঠপুকুর ব্যায়াম সমিতি’ নামে ক্লাব তৈরি হয়, পরে সেটিই তৃণমূলের কার্যালয়ে পরিণত হয়। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে মদ-জুয়ার আসর ও অসামাজিক কার্যক্রম চলছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল।

এবারের অভিযান এবং এর পেছনের কারণ নিয়ে এলাকার রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বিতর্ক চলছেই।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন