তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী শশী পাঁজার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। শনিবার এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ফার্টিলিটি ক্লিনিকে যান তিনি। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, সেখানে দুই নেত্রীর মধ্যে প্রায় দু’ঘণ্টা কথা হয়।
আরও পড়ুনঃ দুর্গাপূজার অনেক বাকি; তবুও মছলন্দপুরে কাঠের ফ্রেমে মহিলা ঢাকিদের আগমনীর সুর
ক্লিনিকে যাওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হলে শশী জানান, তিনি ‘এমনিই’ গিয়েছিলেন। শশী ও কাকলি দু’জনেই চিকিৎসক। ফলে সাক্ষাৎটি ব্যক্তিগতও হতে পারে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে।
জল্পনা আরও বাড়ে রবিবার। কাকলির পুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার সমাজমাধ্যমে দাবি করেন, শশী খুব শীঘ্রই তৃণমূল ছাড়তে পারেন। পরে অবশ্য পোস্টটি মুছে দেওয়া হয়। তবে শশী বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে দলবদলের কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।
বিধানসভা নির্বাচনে শ্যামপুকুরে বিজেপি প্রার্থী পূর্ণিমা চক্রবর্তীর কাছে ১৪,৬৩৩ ভোটে পরাজিত হন তিনবারের বিধায়ক শশী।
ভোটের পর তাঁকে প্রকাশ্যে খুব বেশি দেখা যায়নি। যদিও তাঁর কন্যা পূজা পাঁজা ২১ জুলাই কালীঘাটে তৃণমূলের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুনঃ বাংলায় জইশ জাল! দুর্গাপুরে সতর্ক প্রশাসন
শশীর বক্তব্য জানতে ফোন ও বার্তার মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ, না কি রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত—এখন সেই প্রশ্নই ঘুরছে রাজ্য রাজনীতিতে। নিশ্চিত উত্তর মিলবে শশীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের পরেই।


