আঙ্কারা ও তেহরান:
ন্যাটো সম্মেলন শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গোপনীয়তা বজায় রেখে ওয়াশিংটন ফেরা এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’ সংক্রান্ত বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছে।
আরও পড়ুনঃ পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে সৌরঝড়! বিশাল বিস্ফোরণ সূর্যে
সম্প্রতি নিউ ইয়র্কের এক জনসভায় ট্রাম্প দাবি করেন, খুব শীঘ্রই তিনি হরমুজ প্রণালীকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করবেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বয়ানকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান। ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পকে সরাসরি নিশানা করে জানান, হরমুজ প্রণালী অতীত ও বর্তমানে ইরানের অংশ ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। এই আন্তর্জাতিক জলপথ খোলা বা বন্ধের সিদ্ধান্ত তেহরানের ওপরই নির্ভর করে।
আরও পড়ুনঃ বঙ্গে মমতা সরকারের ২৫০ কোটির মেগা দুর্নীতি
আজিজি আরও কটাক্ষ করে বলেন, হরমুজ নিয়ে অবাস্তব মন্তব্য করার চেয়ে ট্রাম্পের উচিত নিজের সুরক্ষার বিষয়ে বেশি চিন্তিত হওয়া। ন্যাটো সম্মেলন শেষে তুরস্কের আঙ্কারা বিমানবন্দর থেকে নিরাপত্তা সুরক্ষার কারণে এয়ার ফোর্স ওয়ান বদলে খাবারের ট্রাকে চেপে সামরিক বিমানে ওঠার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, সতর্ক না থাকলে ট্রাম্পকে হয়তো আবারও কোনো খাবারের ট্রাকে গিয়ে লুকাতে হবে।
উল্লেখ্য, গত মাসে তুরস্কে বিমানদলের ঘটনায় ইরানি চক্রান্ত বা সম্ভাব্য নিরাপত্তার আশঙ্কার কারণেই মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এভাবে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল বলে খবর ছড়িয়ে পড়েছিল।


