বিশেষ প্রতিনিধি, কলকাতা:
দক্ষিণ কলকাতার একটি নামজাদা বেসরকারি স্কুলে শৌচাগারের ভেতরে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে সাপের কামড় দেওয়ার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে এই আশঙ্কাজনক ঘটনাটি ঘটে। তবে ঘটনার পরও স্কুল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা ও চরম গাফিলতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন অভিভাবকেরা।
আরও পড়ুনঃ অসুস্থ ৪০ জন পড়ুয়া! নুনের বদলে গুঁড়ো সাবান মিড-ডে মিলে
ঘটনার বিবরণ ও পরিবারের অভিযোগ
-
ঘটনার সূত্রপাত: মঙ্গলবার দুপুরে স্কুলের শৌচাগারে গেলে প্রায় দেড় ফুট লম্বা, সাদার ওপর হলুদ ছোপযুক্ত একটি সাপ শিশুটির পায়ে ছোবল মারে।
-
স্কুলের চরম গাফিলতি: অভিযোগ, ঘটনার গুরুত্ব না দিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ নিজেদের চিকিৎসাকেন্দ্রে (Infirmary) কেবল প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে শিশুটিকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয় এবং অভিভাবকদেরও পরিষ্কার করে কিছু জানায়নি।
-
হাসপাতালে ভর্তি: শিশুটি বাড়ি ফেরার পর স্বজনেরা পায়ে কামড়ের ক্ষতচিহ্ন দেখতে পেয়ে চাপ সৃষ্টি করতেই আসল সত্যি প্রকাশ্যে আসে। তড়িঘড়ি তাকে আনন্দপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
-
বর্তমান অবস্থা: হাসপাতালের চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে নিশ্চিত করেছেন যে সাপটি নির্বিষ ছিল। শিশুটি বর্তমানে বিপদমুক্ত ও চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ চাঞ্চল্যকর তথ্য, বাংলায় একশো কোটি টাকার রক্ত কেলেঙ্কারি; দানের রক্তে ব্যবসা!
অভিভাবকদের ক্ষোভ ও স্কুলের নীরবতা
শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঝা-চকচকে ও সুবিশাল ক্যাম্পাসের ভেতরের শৌচাগারে কীভাবে সাপ এল, তা নিয়ে ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা। জানা গিয়েছে, স্কুলের সীমানা সংলগ্ন জলাশয়ে আগেও একাধিকবার সাপ দেখা গিয়েছে এবং পড়ুয়ারা বিষয়টি জানিয়েছিল। তা সত্ত্বেও কেন আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ বা কার্বলিক অ্যাসিড ছেটানো হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ঘটনার পর থেকে পুরো বিষয়টি নিয়ে মুখ বুজে রয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।


