Wednesday, 9 September, 2026
9 September
HomeকলকাতাSchool Teachers: সিঁদুরে মেঘে আশঙ্কিত শিক্ষকদের একাংশ! জনগণনার কাজে যুক্ত শিক্ষকদের বদলি...

School Teachers: সিঁদুরে মেঘে আশঙ্কিত শিক্ষকদের একাংশ! জনগণনার কাজে যুক্ত শিক্ষকদের বদলি নয়

যেসব শিক্ষকের বদলির প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, তাঁদেরও এই সময়ের মধ্যে বিদ্যালয় থেকে ‘রিলিজ অর্ডার’ বা ছাড়পত্র দেওয়া যাবে না।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি, কলকাতা:

শিক্ষকদের প্রশাসনিক ও অ-শিক্ষামূলক কাজে যুক্ত করা নিয়ে আগেই ক্ষোভ ছিল শিক্ষামহলে। এবার জনগণনার (Census) কাজকে কেন্দ্র করে স্কুলশিক্ষা দপ্তরের একটি নতুন বিজ্ঞপ্তিতে রাজ্য জুড়ে নতুন করে তীব্র বিতর্ক দানা বাঁধল। মঙ্গলবার প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে জনগণনার কাজে যুক্ত রয়েছেন এমন কোনো শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী বা আধিকারিককে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নতুন করে বদলি করা যাবে না। এমনকি যেসব শিক্ষকের বদলির প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, তাঁদেরও এই সময়ের মধ্যে বিদ্যালয় থেকে ‘রিলিজ অর্ডার’ বা ছাড়পত্র দেওয়া যাবে না।

দপ্তরের এই নতুন নির্দেশিকার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন শিক্ষক সংগঠন ও সেনসাস কর্মীরা।

আরও পড়ুনঃ  PNB-র কারেন্সি চেস্টে ১৭.২৯ কোটির জাল নোট! NIA-র জালে ম্যানেজার

বিজ্ঞপ্তির অসঙ্গতি ও শিক্ষকদের প্রধান ৩টি ক্ষোভ

শিক্ষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তের ফলে আদালতের নির্দেশে হওয়া জরুরি বদলি এবং আপস বদলিও সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে যাবে:

অনিয়ম ও অভিযোগের ক্ষেত্র শিক্ষক সংগঠন ও সেনসাস কর্মীদের বক্তব্য
১৫ দিনের অতিরিক্ত সময় নিয়ে প্রশ্ন জনগণনার প্রথম পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন হওয়ার নির্ধারিত দিন ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬। তবে কিসের ভিত্তিতে বিজ্ঞপ্তিতে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছাড়পত্র স্থগিত রাখার কথা বলা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
আদালত ও আপস বদলি স্তব্ধ ‘সেনসাস কর্মী ঐক্যমঞ্চ’-এর মতে, মহামান্য আদালতের নির্দেশ বা স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC) ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অনুমতি পেলেও স্কুলের ছাড়পত্র মিলবে না। ফলে আইনি ও আপস বদলি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ আটকে যাবে।
আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জট বাড়ার আশঙ্কা ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত জনগণনার সামগ্রিক কাজ চলবে। শিক্ষকদের একাংশের আশঙ্কা, এই অহেতুক বিধিনিষেধের কারণে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বদলি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ থমকে দেওয়ার ছক তৈরি হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ সাউথ সিটি ও ওয়েস্ট সাইডে যৌথ পরিদর্শন; খাদ্য প্রতিষ্ঠানের পর এবার শপিং মলে দমকলের ‘ফায়ার অডিট’

শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চ ও দপ্তরের অবস্থান

শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী অভিযোগ করেন, “জনগণনার বাইরে থাকা শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও পোর্টালে নানা অসঙ্গতি রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী হাইস্কুলগুলির জন্য পৃথক এসওপি (SOP) প্রকাশের আশ্বাস দিলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।”

অন্যদিকে, এই বিজ্ঞপ্তির ব্যাখ্যার বিষয়ে বিকাশ ভবনের উচ্চপদস্থ কর্তারা খোলসা করে কিছু না বললেও জেলা স্তরের পরিদর্শকরা জানান, উপর মহলের লিখিত নির্দেশিকা মেনেই তাঁদের কাজ করতে হবে। শিক্ষক দিবসের আমেজ কাটতে না কাটতেই এই বিজ্ঞপ্তিতে বর্তমানে রাজ্য জুড়ে শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসকদের মধ্যে অসন্তোষ চরম আকার ধারণ করেছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন