Wednesday, 21 October, 2026
21 October
HomeকলকাতাKolkata: চোরবাগানের পর সতর্কতা; শুধু কলকাতাতেই ১২ জন, শহরে বিসর্জন তদারকিতে ১৮...

Kolkata: চোরবাগানের পর সতর্কতা; শুধু কলকাতাতেই ১২ জন, শহরে বিসর্জন তদারকিতে ১৮ আইপিএস

নজিরবিহীনভাবে ১৮ জন আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিককে সরাসরি তদারকির দায়িত্ব দিল রাজ্য পুলিশ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ সংবাদদাতা, কলকাতা:

চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব মণ্ডপে মর্মান্তিক পদপিষ্টের ঘটনার পর আর কোনো রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশ। আগামী ২১ অক্টোবর বুধবার অর্থাৎ আজ থেকে ২৪ অক্টোবর শনিবার পর্যন্ত চলা প্রতিমা নিরঞ্জন পর্ব সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও সুরক্ষিত রাখতে নজিরবিহীনভাবে ১৮ জন আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিককে সরাসরি তদারকির দায়িত্ব দিল রাজ্য পুলিশ। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

কলকাতা ছাড়াও হাওড়া, ব্যারাকপুর ও চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বিসর্জন প্রক্রিয়াকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ওই তিন শহরে দু’জন করে মোট ছ’জন আইপিএস অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ হাড়ে হাড়ে শিক্ষা দিয়েছে চোরবাগান; সতর্কতা প্রশাসন, কলকাতা পুলিশের বিশেষ নজর বিসর্জনে চার ঘাটে 

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দিন অনুযায়ী অফিসারদের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তা নিম্নরূপ:

কলকাতা পুলিশ এলাকা (২১ ও ২৩ অক্টোবর): গৌরব শর্মা, সোমা দাস মিত্র, রশিদ মুনির খান, আকাশ মাঘারিয়া, সুরেশকুমার চাডিভে এবং ধৃতিমান সরকার।

কলকাতা পুলিশ এলাকা (২২ ও ২৪ অক্টোবর): প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী, ইমরান ওয়াহাব, শীষ রাম ঝাঝরিয়া, সৌম্য রায়, পারিজাত বিশ্বাস এবং সিদ্ধার্থ ধাপোলা।

হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট: ইন্দ্র চক্রবর্তী (২১ ও ২৩ তারিখ) এবং আভারু রবীন্দ্রনাথ (২২ ও ২৪ তারিখ)।

ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট: পলাশচন্দ্র ঢালি ও দ্যুতিমান ভট্টাচার্য।

চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট: অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপ মণ্ডল।

আরও পড়ুনঃ  ফেরার ক্লাবকর্তারা, প্রতিমা বিসর্জন দেবে কে? চিন্তায় পল্লিবাসী

নিরাপত্তায় বাড়তি কড়াকড়ি

উল্লেখ্য, গত ১৭ অক্টোবর সপ্তমীর সন্ধ্যায় কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসবে অতিরিক্ত ভিড়, বৃষ্টি এবং মাইকে ভুয়া ঘোষণার জেরে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ইতিমধ্যে বিশেষ তদন্তকারী দল বা এসআইটি গঠন করে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ এবং ছয়জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। তবে ওই ঘটনার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে পুজো কমিটিগুলির ভূমিকা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে। বিসর্জনের সময় যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা ভিড়ের বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতেই প্রশাসনের এই শীর্ষ স্তরের নজরদারির সিদ্ধান্ত।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন