Sunday, 1 November, 2026
1 November
HomeদেশCJP: রাহুলদের গাছে তুলে মই কাড়ল দিপকেরা; রামলীলা ময়দানের সমাবেশে থাকছে না...

CJP: রাহুলদের গাছে তুলে মই কাড়ল দিপকেরা; রামলীলা ময়দানের সমাবেশে থাকছে না সিজেপি

নিজস্ব ও স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রাখতেই তাঁরা মূল মঞ্চের সমাবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থিত থাকছেন না।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ জাতীয় ও রাজনৈতিক প্রতিবেদন:

রবিবার (১ নভেম্বর) দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী ‘ইন্ডি’ (INDIA) জোটের ঐতিহাসিক মেগা সমাবেশের ঠিক মুখেই দিল্লির রাজনৈতিক অলিন্দে শুরু হয়েছে এক নতুন জল্পনা। তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দিল্লিতে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন নবগঠিত রাজনৈতিক মঞ্চ ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র প্রধান অভিজিৎ দীপকে।

একদিকে তরুণদের লড়াইয়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য মমতাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন, আর অন্যদিকে রবিবারের বিরোধী মহাসমাবেশে সিজেপি-র সরাসরি অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত—সব মিলিয়ে রাজধানীর রাজনীতিতে এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।

আরও পড়ুনঃ  আস্থা দিল্লির; ‘সুপারস্পাই’ ডোভালের উত্তরসূরি রবি! বাংলায় নতুন ‘বিতর্কহীন’ রাজ্যপাল নিয়ে চর্চা

মমতাকে কেন ধন্যবাদ জানাল সিজেপি (CJP)?

দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিজিৎ দীপকে জানান, এটি মূলত সৌজন্য ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের সাক্ষাৎ ছিল।

  • যন্তর মন্তর ও নিট (NEET) আন্দোলন: যন্তর মন্তরে তরুণদের প্রথম দফার বিক্ষোভ এবং বিতর্কিত নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অভিজিৎ।

  • নেতাদের গ্রেপ্তারে পাশে দাঁড়ানো: দিল্লি পুলিশের হাতে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা গ্রেপ্তার হওয়ার পরেও তৃণমূল সুপ্রিমো প্রকাশ্য সোচ্চার হয়েছিলেন এবং আইনি ও নৈতিক সমর্থন জুগিয়েছিলেন।

সিজেপি-র প্রশংসা ও বাংলায় কর্মসূচির নিমন্ত্রণ মমতার

বৈঠকে সিজেপি-র তরুণ কর্মীদের আন্দোলনমুখী ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • পথপ্রদর্শক আখ্যা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানান, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বর্তমান আন্দোলনে এই তরুণ সমাজ ও ছাত্রনেতারাই প্রকৃত পথপ্রদর্শক।

  • বাংলায় আমন্ত্রণে বার্তা: সমস্ত প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার জন্য সিজেপি সদস্যদের সাধুবাদ জানান তৃণমূল প্রধান। একই সঙ্গে অভিজিৎ দীপকে ও তাঁর সংগঠনকে বাংলায় গিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচি করার বিশেষ আমন্ত্রণও জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  হ্যালোউইনের রাতে সুইজারল্যান্ডে তীব্র হিংসা ও অগ্নিসংযোগ; জুরিখ ও বাসেলে পুলিশের ওপর হামলা

স্বতন্ত্র পরিচয় রক্ষা: সমাবেশে কেন নেই সিজেপি?

১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ‘ভোটচুরি’র বিরুদ্ধে ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বিরোধীদের মেগা সমাবেশে সিজেপি সরাসরি যোগ দিচ্ছে না বলে জল্পনার অবসান ঘটান অভিজিৎ দীপকে।

  • নৈতিক সমর্থন: অভিজিৎ স্পষ্ট করেন, ‘ভোট চুরি’ বা নির্বাচন কমিশনের অনিয়মের বিরুদ্ধে যে কোনো লড়াইয়ের প্রতি তাঁদের পূর্ণ ও নীতিগত সমর্থন রয়েছে।

  • স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্ল্যাটফর্ম: তবে তাঁদের সংগঠন কোনো সুনির্দিষ্ট বিরোধী জোটে লীন না হয়ে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পথ চলতে চায়। সেই নিজস্ব ও স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রাখতেই তাঁরা মূল মঞ্চের সমাবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থিত থাকছেন না।

উত্তপ্ত রামলীলা ময়দান ও বিরোধীদের চূড়ান্ত প্রস্তুতি

রবিবারের ‘চলো দিল্লি’ কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানী জুড়ে টানটান উত্তেজনা। দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিরোধী দলগুলির হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক রামলীলা ময়দানে এসে পৌঁছাচ্ছেন।

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবন থেকে শুরু করে মিন্টো রোড হয়ে রামলীলা ময়দান পর্যন্ত পুরো অঞ্চলকে কড়া নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে। একদিকে জাতীয় বিরোধী দলগুলির যৌথ শক্তি প্রদর্শন এবং অন্যদিকে তরুণদের স্বাধীন সংগঠনের এই প্রভাব—সব মিলিয়ে ১ নভেম্বরের দিল্লি এক বড়সড় রাজনৈতিক মোড়ের সাক্ষী হতে চলেছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন