Sunday, 1 November, 2026
1 November
HomeদেশRahul Gandhi: বিক্ষোভ করুন, তারপরে শপিং-ও! কর্মসূচির আগেই আবদার রাহুলের

Rahul Gandhi: বিক্ষোভ করুন, তারপরে শপিং-ও! কর্মসূচির আগেই আবদার রাহুলের

এই বার্তা রবিবারের রামলীলা ময়দান অভিযানকে এক অন্য রাজনৈতিক মাত্রা দান করল।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ জাতীয় ও রাজনৈতিক প্রতিবেদন:

রবিবার (১ নভেম্বর) দিল্লির রামলীলা ময়দানে ‘ইন্ডি’ (INDIA) জোটের ঐতিহাসিক মেগা সমাবেশকে ঘিরে যখন সারা দেশজুড়ে উত্তেজনার পারদ চড়ছে, ঠিক তখনই এক ব্যতিক্রমী ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ ও ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) বাতিলের দাবিতে লাখ লাখ মানুষ যখন রাজধানীতে সমবেত হচ্ছেন, তখন কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা কর্মী-সমর্থক ও নেতাদের কাছে দিল্লির স্থানীয় বাজারগুলি থেকে কেনাকাটা করার বিশেষ অনুরোধ জানালেন কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতা।

আরও পড়ুনঃ ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি পোল্যান্ডে! মাঝ পথ থেকে ফিরে এলেন প্রেসিডেন্ট

ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা ও চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আর্জি

দীপাবলির মতো ভারতের সবচেয়ে বড় উৎসবের ঠিক মুখেই দিল্লির হৃদপিণ্ডে এই বিশাল সমাবেশ আয়োজিত হওয়ায় গভীর দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন রাজধানীর ছোট-বড় ব্যবসায়ীরা।

  • কেনাকাটা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা: ‘চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’-র (CTI) তরফে আগে থেকেই রামলীলা ময়দানের এই সমাবেশের দিনক্ষণ ও স্থান নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছিল। তাঁদের দাবি ছিল, সমাবেশকে ঘিরে হাজার হাজার বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ির ঢলে পুরনো দিল্লি এবং সেন্ট্রাল দিল্লিতে ভয়াবহ যানজট তৈরি হবে।

  • যেসব বাজারে প্রভাবের শঙ্কা: কনট প্লেস (Connaught Place), চাঁদনি চক, সদর বাজার, করোল বাগ এবং চউরি বাজারের মতো দিল্লির প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্রগুলিতে পুলিশি ব্যারিকেড ও নিরাপত্তার কড়াকড়ির কারণে সাধারণ ক্রেতারা আসতে দ্বিধা করবেন। ফলে দীপাবলির মরশুমে ব্যবসায়ীদের চরম আর্থিক ক্ষতির মুখ দেখতে হতে পারে বলে তাঁরা রাহুল গান্ধীর কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন।

ক্ষতি পূরণ করে বিক্রিবাট্টা বাড়ানোর মাস্টারস্ট্রোক রাহুলের

ব্যবসায়ীদের এই উদ্বেগকে সম্মান জানিয়ে রামলীলা ময়দানের মূল কর্মসূচি অপরিবর্তিত রাখা হলেও, সেটিকে স্থানীয় অর্থনীতির অনুকূলে ঘোরাতে অভিনব কৌশল নেন রাহুল গান্ধী।

  • শপিংয়ের বিশেষ আহ্বান: রাহুল গান্ধী জোটের সমস্ত নেতানেত্রী, কর্মী ও সমাবেশে আসা সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেছেন যাতে রামলীলা ময়দানের সভা শেষ করে প্রত্যেকে দিল্লির এই ঐতিহ্যবাহী বাজারগুলিতে যান এবং দীপাবলির কেনাকাটা সেরে নেন।

  • অর্থনৈতিক লাভের আশা: বিরোধীদের দাবি, এই বিশাল জনসমাবেশে আসা লাখ লাখ মানুষ যদি দিল্লির বাজারগুলি থেকে টুকিটাকি জিনিসও কেনেন, তবে ব্যবসায়ীদের ক্ষতির বদলে বিক্রি বহুগুণ বেড়ে যাবে এবং উৎসবের মুখে তাঁদের রুজিরুটি আরও মজবুত হবে।

আরও পড়ুনঃ  টলমল ওমর আবদুল্লার গদি! বিদ্রোহ দলেরই ২৪ বিধায়কের; এবার কাশ্মীরে বড়সড় ‘খেলা’ 

প্রশাসন ও মোদী সরকারকে তোপ

এই আহ্বানের পাশাপাশি দিল্লির সড়ক ও পরিবহন ব্যবস্থায় গতি বজায় রাখতে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে কেন্দ্র সরকার ও দিল্লি পুলিশকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন রাহুল গান্ধী। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী সমাবেশ ভণ্ডুল করতে এবং সাধারণ মানুষকে হয়রান করতে প্রশাসন ইচ্ছে করে রাস্তার মোড়ে মোড়ে ব্যারিকেড তৈরি করছে, একাধিক পথ বন্ধ করে দিচ্ছে এবং মেট্রো স্টেশন ব্যবহারে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করছে।

রাজনৈতিক লড়াই ও ইমপিচমেন্ট দাবির তীব্রতার মাঝেই ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষায় রাহুলের এই বার্তা রবিবারের রামলীলা ময়দান অভিযানকে এক অন্য রাজনৈতিক মাত্রা দান করল।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন