বিশেষ প্রতিনিধি:
টালিগঞ্জ করুণাময়ী ব্রিজ থেকে হরিদেবপুরের দিকে নামার মুখে এক ভয়াবহ পথদুর্ঘটনার হাত থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা পেলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর চলন্ত গাড়িতে সজোরে ধাক্কা মারে একটি বেপরোয়া ও দ্রুতগতির লরি। দুর্ঘটনায় গাড়িটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ভাগ্যক্রমে বড়সড় আঘাতের হাত থেকে বেঁচে গেছেন অভিনেতা।
আরও পড়ুনঃ হুলস্থুল পোস্তায়! মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ১ কোটিরও বেশি ডাকাতি
ঘটনার বিবরণ ও লরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ
-
নিয়ম মেনেই চালনা: সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে জয়জিৎ জানান, তাঁর গাড়ির চালক ট্রাফিক নিয়ম মেনেই যথাযথভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। হঠাৎই বেপরোয়া গতিতে এসে একটি লরি তাঁর গাড়ির ডানদিকে সজোরে মারবেল ধাক্কা।
-
লরিচালকের মানসিক স্থিতি নিয়ে সন্দেহ: ফাঁকা রাস্তায় লরিটির বেসামাল গতি দেখে অভিনেতার সন্দেহ, চালক স্বাভাবিক অবস্থায় বা সুস্থ ছিলেন না।
-
সামনের আসনে থাকায় রক্ষা: জয়জিৎ উল্লেখ করেন, তিনি নেহাত গাড়ির সামনের আসনে বসেছিলেন। পিছনের আসনে থাকলে মারাত্মক আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এই বেপরোয়া লরিচালক পরবর্তীতে আরও বড় ধরনের বিপদ বা জীবনহানি ঘটাতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুনঃ অঙ্ক নয়, পুরভোটে নয়া ফর্মুলা বামফ্রন্টের
পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ ও ট্যাগ বিতর্ক
-
হরিদেবপুর থানার ভূমিকা: ঘটনার পরপরই হরিদেবপুর থানার দ্বারস্থ হন অভিনেতা। কিন্তু পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, পুলিশ কেবল একটি ‘MCR’ (Motor Casualty Report) করেই ছেড়ে দিয়েছে।
-
সিসিটিভি পরীক্ষা না করার দাবি: সিসিটিভি মোড়া শহরে তাৎক্ষণিকভাবে ফুটেজ খতিয়ে দেখে লরিটিকে চিহ্নিত করার কোনো প্রশাসনিক তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।
-
ট্যাগ ঘিরে চর্চা: পুলিশি তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও জয়জিৎ জানান, কলকাতা পুলিশের ওপর তাঁর ভরসা অটুট রয়েছে। তবে তিনি তাঁর সমাজমাধ্যমের পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও কলকাতা পুলিশকে ট্যাগ করে প্রশাসনিক নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনার খবর সামনে আসতেই অভিনেতার ভক্ত ও অনুরাগীরা সমাজমাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।


