হরমুজ়ে শুরু হয়েছে মার্কিন অবরোধ। গতকাল সন্ধে থেকেই হরমুজ় অবরোধ শুরু করা হয়েছে। বন্দর ও আশেপাশের উপকূল অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে যুদ্ধজাহাজ। জানা গিয়েছে, হরমুজ়ে নৌ অবরোধ জারি করতে ১৫টির বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ইরানের কোনও জাহাজ এলেই তা সঙ্গে সঙ্গে উড়িয়ে দেওয়া হবে। ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষবিরতির বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পরই চটে লাল হয়ে যান ট্রাম্প। তারপরই হরমুজ় অবরোধের হুঁশিয়ারি দেন। সেইমতো গতকাল সন্ধে থেকে কড়া নজর রেখেছে আমেরিকার যুদ্ধবিমানগুলি।
আরও পড়ুনঃ ভোট বঙ্গে সক্রিয় ইডি, গ্রেফতার আইপ্যাক কর্তা; বিপাকে তৃণমূল
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, মার্কিন নৌ অবরোধ শুরু হয়েছে ভারতীয় সময় সন্ধে সাড়ে ৭টা থেকে। ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় যে সব জাহাজ প্রবেশ করবে, সেইসব জাহাজকে আটকানো হবে। এমনকী উড়িয়ে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। শুধু জাহাজ প্রবেশ নয়, বেরোনোর সময়ও একই পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আরব উপসাগর ও ওমান উপসাগরের জাহাজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে ইরান ছাড়া অন্য কোনও দেশ থেকে আসা জাহাজকে আটকাবে না আমেরিকা।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড আরও জানিয়েছে, গতকাল রাতেই যুদ্ধজাহাজ USS Tripoli আরব সাগরে একটি অভিযান চালায়। এই TRipoli ওয়েল ডেক ছাড়াই ডিজাইন করা হয়েছে। যা আরও বেশি এফ-৩৫বি লাইটনিং টু স্টেলথ ফাইটার, এমভি-২২ অসপ্রে, হেলিকপ্টার থাকতে পারে। অতিরিক্ত রক্ষণাবেক্ষণের জায়গাও রয়েছে। কোনও মিশনের সময়, জাহাজটি ২০টিরও বেশি এফ-৩৫বি বিমানকে জায়গা দিতে পারে।
টানা ৪০ দিন ধরে ইরান-আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। মাঝে অবশ্য দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে, সম্প্রতি ইসলামাবাদে যুদ্ধ চলার পর থেকে প্রথমবার মুখোমুখি হয় ইরান-আমেরিকা। কিন্তু, টানা ২২-২৩ ঘণ্টা বৈঠকের পর কোনও সমাধান মেলেনি। আমেরিকা দাবি করে, ইরান চুক্তি মেনে নিতে চায়নি। পাল্টা তেহরানের দাবি, অযৌক্তিত দাবি করেছে আমেরিকা।



